• বাসন্তী পোলাও থেকে কচি পাঁঠার মাংস, NCPI সাংসদদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠকে ‘মাছ, মিষ্টি অ্যান্ড মোর’
    এই সময় | ০৫ আগস্ট ২০২৬
  • মিটিং হবে আর ‘ইটিং’ হবে না তাই কখনও হয়! তাও আবার বাঙালির বৈঠকে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দিল্লির বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পরে NCPI সাংসদদের জন্য এলাহি ভূরিভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। বৈঠকে রাজ্যের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আর তার পরে কবজি ডুবিয়ে চলে খাওয়াদাওয়া।

    রাজনীতির সঙ্গে রসনা তৃপ্তি। যেন সচিন-সৌরভের যুগলবন্দী। পাতে কী ছিল না সেটাই বড় কথা! সূত্রের খবর, মাছ-মাংসের ঢালাও আয়োজন করা হয়েছিল। তবে সবই নাকি খাঁটি বাঙালি পদ। শুরুতেই পরিবেশন করা হয় বাসন্তী পোলাও, হলুদ ঝিরঝিরে। তার সঙ্গে ফিশ ফ্রাই। সেটাও নাকি ভেটকি মাছের।

    NCPI-এর ২০ জন সাংসদই বাঙালি। আর বাঙালির খাওয়াদাওয়ায় রকমারি মাছ মাস্ট। এখানেও তাই হয়েছে। সূত্রের খবর, পাঁচ রকমের মাছ ছিল। যার যেটা পছন্দ। গলদা চিংড়ি, পাবদা, ভেটকি তো বটেই বর্ষায় ইলিশের আয়োজনও করা হয়েছিল। আর ছিল কাতলা। সবই আলাদা আলাদা রেসিপি। পরিপাটি করে সাজানো।

    পাঁঠার মাংস তো রাখতেই হবে। সূত্রের খবর, তা-ও ছিল। এককালে রাজা রামমোহন রায় নাকি একাই একটা আস্ত কচি পাঁঠা খেতে পারতেন। বাঙালির সেই তেজ আর নেই। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, NCPI-এর সাংসদদের জন্য কচি পাঁঠার মাংসের সঙ্গে চিকেনের দুই রকমের পদেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

    শেষ পাতে মিষ্টি না হলে তো চলবে না। সূত্রের খবর, বাঙালির ট্রেডমার্ক রসগোল্লা আর সন্দেশের ব্যবস্থা ছিল। তার সঙ্গে দই। একেবারে শেষে আইসক্রিম, সফট ড্রিঙ্কস। আর মুখশুদ্ধি হিসেবে ছিল মিষ্টি পান।

    শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর থেকেই NCPI-এর সাংসদরা বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না, সেই নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বলেছেন, ‘ইয়ে তো স্রেফ ঝাঁকি হ্যায়...।’ তবে এর সঙ্গেই আলোচনা চলছে এই সব জিভে জল আনা বাঙালি পদ নিয়েও। ভোজনরসিকদের মতে, গলদা চিংড়ি, কচি পাঁঠা, রসগোল্লা নিয়ে আলোচনা না হওয়াটাই তো অন্যায়ের।

  • Link to this news (এই সময়)