• পিএইচডি-তে ভর্তি হতে থাকতেই হবে নেট!
    আজকাল | ০৫ আগস্ট ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগেই আভাস পাওয়া গিয়েছিল। রাজ্যে পালাবদল হতেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও পিএইচডি-তে ভর্তির যোগ্যতায় আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত কোনও প্রবেশিকা নয়, বরং জাতীয় স্তরের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষার মাধ্যমে পিএইচডি-তে ভর্তির যোগ্যতা যাচাই করা হবে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে।

    সিনিয়র স্পেশ্যাল সেক্রেটারির স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ভর্তির জগুতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য রাখতেই এই পরিবর্তন করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কোর্সে ভর্তির গুণগত মান এবং ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেও রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ।

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে ২০২৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যে নিয়মবিধির উল্লেখ করেছে, তা-ই কার্যকর করা হবে রাজ্যে। এতদিন পর্যন্ত বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেরাই পিএইচডি-তে ভর্তির জন্য আলাদা প্রবেশিকা পরীক্ষার আয়োজন করত। তার ফলে পরীক্ষা সংক্রান্ত বেশ কিছু জটিলতা এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। সেই বিষয়কে মাথায় রেখেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি, সরকার পোষিত, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সমস্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে।

    উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পিএইচডি-তে ভর্তির ক্ষেত্রে তাঁদের ইউজিসি-নেট, ইউজিসি-সিএসআইআর নেট, গেট, সিড বা সমতুল জাতীয় স্তরের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষার মাধ্যমে আগ্রহীদের যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। প্রয়োজনে নেওয়া যেতে পারে ইন্টারভিউ। তাই আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে পিএইচডি-তে ভর্তির জন্য প্যাট, রেট বা অন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা আয়োজন বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য, যোগ্যতার মাপকাঠি হিসাবে রাজ্যস্তরে আয়োজিত সেট (স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট)-এর উল্লেখ করা হয়নি সরকারি নির্দেশিকায়।

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে এই নিয়ম কার্যকর করেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
  • Link to this news (আজকাল)