কলকাতার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ও জরুরি পরিষেবার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার হঠাৎ করেই তিনি শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানা পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের তালিকায় ছিল পোর্ট ডিভিশনের অন্তর্ভুক্ত ওয়াটগঞ্জ থানা ও একবালপুর থানা। এর পরে তিনি লালবাজারে কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর হয়ে সরাসরি পৌঁছে যান মির্জা গালিব স্ট্রিটের ফায়ার ব্রিগেড হেড কোয়ার্টারে।
ইতিমধ্যেই থানাগুলিতে মহিলাদের জন্য আলাদা হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে। সেখানে কী পরিকাঠামো রয়েছে, তা-ও খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। ডেস্কে বসে থানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে। সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে মহিলারা কোথায় যাবেন, তার হেল্প ডেস্ক কোথায়, কী ভাবে সেই অভিযোগ নেওয়া হয়, সেখানকার দায়িত্বে কারা আছেন, কী ভাব কাজ হচ্ছে সবই খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী।
ওয়াটগঞ্জ থানা, একবালপুর থানার ওসিদের সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। পোর্ট ডিভিশনের মধ্যে এই দুই থানা পড়ে। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী যান লালবাজারে, কলকাতা পুলিশের হেড কোয়ার্টারে। নগরপালের সঙ্গে কথা বলেন কিছুক্ষণ।
এর পরে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে রওনা দেয় মির্জা গালিব স্ট্রিটে। সেখানে ফায়ার ব্রিগেডের হেড কোয়ার্টার রয়েছে। সেখানে উপস্থিত আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি ফায়ার ব্রিগেডের বর্তমান পরিকাঠামো, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকা গাড়ির সংখ্যা এবং মোট কর্মীর উপস্থিতি সংক্রান্ত বিস্তারিত খোঁজ নেন।
মুখ্যমন্ত্রী আজ কোন কোন থানা পরিদর্শন করেছেন?
বুধবার তিনি ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানা পরিদর্শন করেছেন।
থানা পরিদর্শনের পর তিনি কোথায় গিয়েছেন?
তিনি লালবাজারে কলকাতা পুলিশের হেড কোয়ার্টারে গিয়ে নগরপালের সঙ্গে কথা বলেন।
এই দুই থানা কোন পুলিশ ডিভিশনের অন্তর্গত?
ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানা পোর্ট ডিভিশনের অন্তর্গত এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডিসি পোর্টও।
সবশেষে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন?
মির্জা গালিব স্ট্রিটে ফায়ার ব্রিগেডের হেড কোয়ার্টারে গিয়ে দমকলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন তিনি।
ফায়ার ব্রিগেড পরিদর্শনে তিনি কী কী বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন?
দমকলের গাড়ির সংখ্যা ও কর্মী সংখ্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।