আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলে বৈঠক, বুধে প্রতিক্রিয়া। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিদ্রোহী, তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার এই এনসিপিআই সাংসদদের নিয়েই প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
এনসিপিআই সাংসদদের দাবি, বিজেপি তাঁদের আস্বস্ত করেছে, ২৯-এর ভোটে, লোকসভায় প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, 'এটা আমার সিলেবাসের মধ্যে পড়ে না। এটা আমাদের সংসদীয় বোর্ডের বিষয়। কলকাতা থেকে দিল্লির দূরত্ব ১৫০০ কিলোমিটারের মতো প্রায়। আর ২০২৯-এও এখন অনেক দেরি। ডিলিমিটেশন হবে, আসন বাড়বে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করা। এসব অনেক পরের কথা। তারমধ্যে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে যাবে। দেখতে থাকুন।'
অন্যদিকে এনসিপিআই জানিয়েছে, তারা সমর্থন করবে এনডিএ-কে। এনডিএ জোটের বৈঠকে হাজির থাকছেন কাকলি-সুদীপরাও। তবে মঙ্গলবার অর্থাৎ গতকাল, সংসদ চত্বরে নাটকীয় মোড়। তিন এনসিপিআই সাংসদ এনডিএ জোটে যাননি। মুর্শিদাবাদের তিন সাংসদের বক্তব্য, তাঁরা এনসিপিআই-এ আছেন কিন্তু বিজেপি বা এনডিএ-তে নয়। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'আমি যতদূর জানি, ২০জন এনসিপিআই সাংসদ এনডিএ-তে যোগ দিয়েছেন। এখন যাবেন কী যাবেন না, তাঁদের নেতৃত্বের দেখার বিষয়, এটা আমার সিলেবাসের মধ্যে পড়ে না।'
একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'দেশে এখন তুঘলকি শাসন নেই, মোঘলের শাসন নেই, তাই এসব দ্বিচারিতা থেকে দূরে থাকতে হবে। আমার যেমন বেণী তেমনি রবে, চুল ভিজাবো না, এ নাটকও কিন্তু মানুষও হজব করবে না।'
উল্লেখ্য, মঙ্গলের বৈঠক শেষ জুন মালিয়া জানান, 'মিটিং খুব ভাল হয়েছে। যে কোনও প্রশাসনিক বিষয়ে সহায়তার জন্য পাশে থাকবেন তিনি। নিজেদের এলাকায় আমাদের কাজে কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হলেও, পাশে থাকবেন তিনি, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।'