• বৃহস্পতিতে জেন জির সঙ্গে মোহন-কথা! তরুণ মন পেতে রাজ্যের ক্যাম্পাসগুলিতেও কর্মসূচি এবিভিপির
    প্রতিদিন | ০৫ আগস্ট ২০২৬
  • নিটে প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় দিল্লি। লাগাতার বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করতে হয় খোদ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। যার নেপথ্যে নবগঠিত সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, যা ছাত্রছাত্রীদের তারুণ্য আর অসম সাহসের ফসল। যদিও এই ‘ককরোচ’দের নেপথ্যে বিদেশি অনুদান বা সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের কতটা কী হাত আছে, তা নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেন জি-র মন বুঝতে ময়দানে নেমেছে আরএসএস। খোদ সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত নিজে কথা বলবেন তরুণ পড়ুয়াদের সঙ্গে। এবার বাংলাতেও জেন জি-দের মন পেতে অভিনব কর্মসূচি নিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    দীর্ঘ ১৫ বছর পর রাজ্যে মসনদে পালাবদল ঘটেছে। তৈরি হয়েছে বিজেপির সরকার। এরপরই রাতারাতি বদলে গিয়েছে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বাংলার কলেজ ক্যাম্পাসগুলিতেও বদলের হাওয়া। উড়ছে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির পতাকা। এহেন পরিস্থিতিতে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের মন পেতে মরিয়া এবিভিপি। সেদিকে নজর রেখেই কলেজগুলিতে বিভিন্ন সৃজনশীল এবং গঠনমূলক আলোচনার উদ্যোগ। যেমন ক্যাম্পাসগুলিতে হবে গান নিয়ে চর্চা, তেমনই হবে মনীষীদের জীবনীদের নিয়ে আলোচনা সভা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ক্রিন টাইম টু গ্রিন টাইম’ এবং ‘স্ক্রিন টাইম টু মিউজিক টাইম’।

    শুধু তাই নয়, কলেজে পড়ুয়াদের উপস্থিতির হাত বাড়াতেও উদ্যোগ নিয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ অর্থাৎ এবিভিপি। আর এজন্য কলেজগুলিতে ‘ক্যাম্পাস চলো’ অভিযানেরও ডাক দেওয়া হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, আগামিকাল, বৃহস্পতিবার জেন জিদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মোহন ভাগবত। দিল্লির এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, “আমাদের প্রজন্ম ছিল বাধ্য। কমবয়সে আমরা সব কথা মেনে নিতে বাধ্য হতাম। এখন আর তা হবে না। আজকের নবপ্রজন্ম প্রশ্ন করে সব জেনে নেবে। আমাদেরও উচিত, ধৈর্য সহকারে সময় দিয়ে তাঁদের বিশদে সবটা জানানো।” এরপরই জেন জিদের সঙ্গে আরএসএস প্রধানের বৈঠকের বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই তরুণ প্রজন্মের মন পেতে বঙ্গে এবিভিপির এহেন কর্মসূচি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু আরএসএস প্রধান নয়, জেন জি-দের কথা একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে উঠে এসেছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)