ভগবানগোলায় তৃণমূলে ভাঙনের দাবি, পঞ্চায়েত সদস্য-সহ ৬০ জনের সিপিআই(এম)-এ যোগদান
News18 বাংলা | ০৬ আগস্ট ২০২৬
মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ব্লকের হাবাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সিপিআই(এম)-এর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রেজিনা বিবি এবং INTTUC-এর অঞ্চল সভাপতি অসীম আকরাম-সহ প্রায় ৬০ জন কর্মী-সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে সিপিআই(এম)-এ যোগদান করেছেন।
হাবাসপুরের বেলিয়া-শ্যামপুরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সিপিআই(এম)-এর এরিয়া কমিটির সম্পাদক কামাল হোসেন-সহ দলের স্থানীয় নেতৃত্ব।সিপিআই(এম) নেতৃত্বের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাঁদের দলে যোগ দিচ্ছেন। হাবাসপুরের এই যোগদান সেই ধারারই অংশ। আগামী দিনেও আরও বহু মানুষ সিপিআই(এম)-এ যোগ দেবেন বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন দলের নেতারা।
দলের অধিকাংশ বিধায়ক, সাংসদ এবং নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়েছেন৷ এমন কি, বহু বছর ধরে মমতার ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাভাজন ছিলেন যাঁরা, সেই নেতারাও কেউ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নব তৃণমূলে, কেউ আবার এনসিপিআই-তে নাম লিখিয়েছেন৷ এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল দলটার উপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কতৃত্ব আর থাকবে কি না, এখন তা নিয়েও টানাপোড়েন শুরু হয়েছে৷
প্রশান্ত কিশোর বলেন, ‘যাঁরা বলছেন তৃণমূল শেষ তাঁরা বড় ভুল করছেন৷ কোনও রাজনৈতিক দল একদিনে তৈরিও হয় না, শেষও হয়ে যায় না৷ প্রশান্ত কিশোরকে প্রশ্ন করা হয়, তৃণমূলের এত বড় বড় নেতা দল ছেড়েছেন, তার কোনও প্রভাব দলের উপরে পড়বে না? জবাবে তৃণমূলের দলত্যাগী নেতাদের কটাক্ষ করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, কাদের বড় নেতা বলছেন? বাংলায় মানুষ দিদিকে দেখে, তৃণমূলকে দেখে ভোট দেয়৷ তৃণমূলের কোনও সাংসদ, বিধায়কের নামে দেখে মানুষ ভোট দেয় না৷ প্রশান্ত কিশোরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, চাপে পড়েই মমতার সঙ্গ ছাড়ছেন তৃণমূল নেতারা৷ তাঁর কথায়, প্রাণ বাঁচাতে মানুষ কী না করে!’