• অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে বাংলার ১০২ স্টেশন, তালিকায় হাওড়া-শিয়ালদহ-NJP
    এই সময় | ০৬ আগস্ট ২০২৬
  • রাজ্যের মোট ক’টি স্টেশন ‘অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম’-এর অন্তর্ভুক্ত? কতগুলিতে কাজ শেষ হয়েছে? এই সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়। সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিল রেল মন্ত্রক।

    রেল মন্ত্রকের তরফে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় উন্নয়নের জন্য ১,৩৪০টি স্টেশন চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে ১০২টি স্টেশন পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গে ‘অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম’-এর আওতায় উন্নয়নের জন্য চিহ্নিত স্টেশনগুলোর নাম—

    আদরা, আলিপুরদুয়ার জংশন, আলুবাড়ি রোড, অম্বিকা কালনা, আনারা, অন্ডাল জংশন, আন্দুল, আসানসোল জংশন, আজিমগঞ্জ, বাগনান, বালি, বালুরঘাট, ব্যান্ডেল জংশন, বনগাঁ, বাঁকুড়া, বরাভূম, বারাসত, বর্ধমান, ব্যারাকপুর, বেলদা, বহরমপুর কোর্ট, বেথুয়াডহরি, ভালুকা রোড, বিন্নাগুড়ি, বিষ্ণুপুর, বোলপুর শান্তিনিকেতন, বার্নপুর, ক্যানিং, চন্দননগর, চাঁদপাড়া, চন্দ্রকোনা রোড, দলগাঁও, ডালখোলা, ডানকুনি, ধুলিয়ান গঙ্গা, ধুপগুড়ি, দিঘা, দিনহাটা, দমদম জংশন, ফালাকাটা, গড়বেতা, গেদে, হলদিয়া, হলদিবাড়ি, হরিশচন্দ্রপুর, হাসিমারা, হিজলি, হাওড়া জংশন, জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, জঙ্গিপুর রোড, ঢালিদা, ঝাড়গ্রাম, জয়চন্ডী পাহাড়, কালিয়াগঞ্জ, কল্যাণী, কল্যাণী ঘোষপাড়া, কামাখ্যাগুড়ি, কাটোয়া জংশন, খাগড়াঘাট রোড, খড়গপুর জংশন, কলকাতা, কৃষ্ণনগর শহর জংশন, কুমেদপুর জংশন, মধুকুন্ড, মধ্যমগ্রাম, মালদা কোর্ট, মালদা টাউন, মেচেদা, মেদিনীপুর (মেদিনীপুর), নবদ্বীপ ধাম, নৈহাটি জংশন, নিউ আলিপুরদুয়ার, নতুন কোচবিহার, নিউ ফরাক্কা জংশন, নতুন জলপাইগুড়ি জংশন, নিউ মাল জংশন, ওন্দাগ্রাম, পানাগড়, পাণ্ডবেশ্বর, পাঁশকুড়া জংশন, পুরুলিয়া জংশন, রামপুরহাট জংশন, রানাঘাট, সাঁইথিয়া জংশন, সালবনি, সামসি, সাঁতরাগাছি, শিয়ালদহ, শালিমার, শান্তিপুর, শেওড়াফুলি, শ্রীরামপুর, শিলিগুড়ি জংশন., সীতারামপুর, সিউড়ি, সোনারপুর জংশনশন, সুইসা, তমলুক, তারকেশ্বর, টুলিন ও উলুবেড়িয়া।

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ১৩টি স্টেশনে ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। সেগুলি হলো– আনারা, বরাভূম, দিঘা, গড়বেতা, হলদিয়া, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, জয়চণ্ডী পাহাড় জংশন, কল্যাণী ঘোষপাড়া, কামাখ্যাগুড়ি, পানাগড়, সিউড়ি ও তমলুক।

    উল্লেখ্য, গত জুন মাসে রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তখনই নবান্নে রেলমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে রাজ্যে নতুন রেল প্রকল্প, স্টেশন আধুনিকীকরণ, ফ্লাইওভার-আন্ডারপাস নির্মাণ এবং দীর্ঘদিন আটকে থাকা কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মোট ১০২টি স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে এই প্রকল্পে। পাশাপাশি ৫৩৮টি ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এই সব প্রকল্পে এক লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা খরচ হতে পারে।

  • Link to this news (এই সময়)