• মাত্র ১২ বছরের মেয়ে…, অভিজিৎ-সৌরভদের বিরুদ্ধে পকসো মামলা চেয়ে থানায় শিলিগুড়ির আইনজীবী
    প্রতিদিন | ০৬ আগস্ট ২০২৬
  • এবার পকসো আইনের আওতায় অভিযোগ দায়ের হতে পারে অভিজিৎ দীপকে-সৌরভ দাসদের বিরুদ্ধে? ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বহু বালক-বালিকাদেরও দেখা গিয়েছিল। তাদের উপর পুলিশ লাঠি চালিয়েছে, এমন অভিযোগ তুলেছেন ‘ককরোচ’ নেতৃত্ব। এই বিষয়টি উল্লেখ করেই সরব হয়েছেন রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় নামে এক আইনজীবী। তাঁর প্রশ্ন, ১২ বছরের মেয়েদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আনল কারা? সেই ইস্যুতেই এফআইআর দায়ের করা উচিত বলে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

    সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অভিজিৎ-সৌরভদের বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করার অনুমতি চেয়ে অভিযোগ করেছেন রিঙ্কি। তাঁর কথায়, “নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইনস্টাগ্রামে ভিডিও করেছেন, কুমন্তব্যকারীদের ক্ষমা করেছেন। তারপর অভিজিৎ এবং সৌরভ ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চা মেয়েদের উপর পুলিশ লাঠি চালিয়েছে সেটার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমার প্রশ্ন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চাকে প্রতিবাদস্থল পর্যন্ত টেনে আনল কে?”

    রিঙ্কি সাফ জানিয়েছেন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চাদের সুরক্ষিত জায়গায় রাখা উচিত। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী, শিশুদের প্রতিবাদে যুক্ত করার দায়ে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা উচিত। প্রতিবাদের আয়োজকদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছেন রিঙ্কি। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় তিনি জানিয়েছেন, ‘ককরোচ’দের বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করতে চান।

    উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবীরা বলেন, আন্দোলনকারী মহিলাদের গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। অনেকেরই পুলিশি ব্যাজ ছিল না। এই মন্তব্যের সমর্থনে অন্তত ১১০টি ভিডিও রয়েছে বলেও জানান আইনজীবীরা। গোটা ঘটনায় একাধিক দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের হয়।  সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় সংবিধান। তাই আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)