• ১০ বছর জেলের ঘানি টানতে হবে ‘তেহেলকা’র তরুণকে, ধর্ষণে দোষী তেজপাল
    প্রতিদিন | ০৬ আগস্ট ২০২৬
  • বম্বে হাই কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তরুণ তেজপাল! ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করল আদালত।  বৃহস্পতিবার বিচারপতি নীলা গোখলে ও অমিত জামসান্দেকারের ডিভিশন বেঞ্চে বহু প্রতীক্ষিত এই মামলার রায়দান হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৭৬(২)(এফ) ও ৩৭৬(২)(কে) এবং ৩৫৪এ ও ৩৫৪বি ধারার তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ‘তেহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতাকে। 

    ২০১৩ সালে গোয়ায় একটি কনফারেন্স চলাকালীন এক মহিলা সহকর্মীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে তরুণের (Tarun Tejpal) বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা অভিযোগ করেন, গোয়ার এক হোটেলের লিফটে তাঁকে যৌন নিগ্রহ করেছেন ‘তেহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতা। এই মর্মে গোয়া পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৩ সালে গ্রেপ্তার করা হয় তরুণকে। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় তেজপালের বিরুদ্ধে। মামলার শুনানি শুরু হয় গোয়ার আদালতে। ২০২১ সালে সেই মামলায় রেহাই পান তিনি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার। অবশেষে বৃহস্পতিবার ধর্ষণ মামলায় তরুণকে দোষী সাব্যস্ত করল বম্বে হাই কোর্টের গোয়া বেঞ্চ।

    এদিন উচ্চ আদালতে হাজির করানো হয় ‘তেহেলকা’র প্রতিষ্ঠাতাকে। তিনি বলেন, “আমার বয়স ৬২। আমার বিশ্বাস আমি ভিক্টিম। আমার স্ত্রী আছেন। এর বাইরে আর বিশেষ কিছু বলার নেই। শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, দয়া করে আমার প্রতি নমনীয় হোন।” তাঁর হয়ে লড়া সিনিয়র আইনজীবী অবোধ পন্ডা রায়দান আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান, যাতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারেন। অন্যদিকে, গোয়া সরকারের হয়ে লড়া সরকারি আইনজীবী তুষার মেহতা বলেন, “নির্যাতিতা সাংবাদিক তরুণের মেয়ের বয়সি। তা সত্ত্বেও তরুণ এহেন ঘৃণ্য কাজ করেছেন। তাই এক্ষেত্রে একটি নজির স্থাপনের প্রয়োজন।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)