‘কেয়া বোলতি পাবলিক’, শুনবে ‘আরশোলা’, যন্তর মন্তরের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দীপকের
প্রতিদিন | ০৬ আগস্ট ২০২৬
নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে বড় সাফল্য পেয়েছে অভিজিৎ দীপকে প্রতিষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টি। এখনই মূলধারার রাজনৈতিক দল গড়ার ভাবনা নেই, জানিয়েছেন তিনি। যদিও বৃহস্পতিবার দেশজোড়া নয়া কর্মসূচি ‘কেয়া বোলতি পাবলিক’ (কী বলছে জনতা) কর্মসূচি ঘোষণা করলেন দীপকে। এর মাধ্যমে সরাসরি সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানবেন ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সদস্যরা।
দীপকে জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হবে শিক্ষা ক্ষেত্র। তিনি দাবি করেন, স্কুল, কলেজ ও কোচিংয়ের ফি মাত্রাছাড়া হারে বেড়ে যাওয়ার অনেক পরিবারের পক্ষেই সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া সাধ্যের বাইরে চলে গিয়েছে। তিনি বলেন, “শিক্ষা সংস্কারই হবে আমাদের অগ্রাধিকারের বিষয়। আমরা মনে করি, দেশে শিক্ষা এখন আর সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে নেই। (বেসরকারি স্কুলগুলিতে) প্রথম শ্রেণিতেই বার্ষিক ফি ১ থেকে ২ লাখ টাকা। এর বাইরে রয়েছে অনুদান বা ডোনেশনের খরচ।”
মধ্য ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো কীভাবে এত খরচ সামলাবে, এই প্রশ্ন তুলে দীপকে বলেন, “যাদের আয় বেশি নয়, সেই পরিবারগুলি কোথা থেকে এত টাকা জোগাড় করবে?” অভিযোগ করেন, “কলেজ ও কোচিংয়ের ক্রমবর্ধমান ফি পরিবারগুলিকে ঋণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” এইসঙ্গে জানান, তাঁর দল এই আর্থিক বোঝা লাঘব করতে চায়। শিক্ষা মৌলিক অধিকার, আম্বেদকরের এই বক্তব্যকে টেনে দীপকে বলেন, “ড. বিআর আম্বেদকরের মতে এটি (শিক্ষা) একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, শিক্ষা এখন মুনাফা অর্জনের একটি ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে।”