• খোলাই থাকবে শিশুদের পুরাণ-পৃথিবী, বন্ধ হচ্ছে না নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়াম
    প্রতিদিন | ০৬ আগস্ট ২০২৬
  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপে কেল্লাফতে। বন্ধ হচ্ছে না নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়াম। বৃহস্পতিবার মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের তরফে সোশাল মিডিয়ায় এই সুখবর জানানো হয়েছে। এই সুসংবাদে যারপরনাই খুশি তিলোত্তমাবাসী।

    নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়াম সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, নেহরু চিলডেন্স মিউজিয়াম খোলা থাকছে। রাজ্য সরকারের সহযোগিতা ছাড়া মিউজিয়াম খোলা অসম্ভব ছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ পরামর্শদাতা সুব্রত গুপ্ত ধন্যবাদও জানিয়েছেন তারা।

    ১৯৬৬ সালের ২২ ডিসেম্বরে ৯৯ বছরের লিজ নেওয়া জমিতে মিউজিয়ামটি তৈরি হয়েছে। ১৯৭২ সালের ১৪ নভেম্বর তা চালু হয়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশংকর রায় উদ্বোধন করেছিলেন। ৯৬টি দেশের ১,১০০-এরও বেশি পুতুল ও প্রায় ৩০০টি মূর্তি নিয়ে ‘গণেশ গ্যালারি’ রয়েছে এই মিউজিয়ামে। এছাড়া মাটির পুতুলে রাম-রাবণের যুদ্ধ তুলে ধরা হয়েছে। এই মিউজিয়ামটি পরিচালনা করে ‘ন্যাশনাল কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন’। এই সংস্থার ২১ সদস্যের মূল কমিটি। এবং ১৫ জন অতিরিক্ত সদস্য রয়েছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ দর্শনার্থী এখানে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    সম্প্রতি এই মিউজিয়ামে তৃতীয় পক্ষের সংস্থা দিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়। ওই রিপোর্টে দেখা যায়, অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন। যা করতে খরচ পড়বে ৫০ লক্ষ টাকা। তবে ওই খরচ জাদুঘর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে করা সম্ভব হয়। অথচ রক্ষণাবেক্ষণ না করে মিউজিয়াম চালু রাখলে ঝুঁকির আশঙ্কা থেকে যায়। তাই নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়ামের তরফে জাদুঘর বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ১৬ আগস্ট মিউজিয়াম বন্ধ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সরকারের তরফে এই প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের আবেদনও জানানো হয়। সেই আর্জিতে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর তৎপর হয়। সিএমও অফিসের তরফে মিউজিয়ামের ডিরেক্টর সুদীপ শ্রীমালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সরকারের হস্তক্ষেপে পুনরুজ্জীবন পেল নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়াম।
  • Link to this news (প্রতিদিন)