‘জেন জি দেশবিরোধী নয়, ওদের দাবি ন্যায্য’, ২৯-এ ভোটযুদ্ধের আগে তরুণদের আর কী বার্তা ভাগবতের?
প্রতিদিন | ০৭ আগস্ট ২০২৬
নিটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে তোলপাড় হয়েছিল দেশ। সর্বভারতীয় পরীক্ষায় কেলেঙ্কারি নিয়ে জেন জি-র তীব্র আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। এই ‘ককরোচ’দের নেপথ্যে বিদেশি অনুদান বা সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের কতটা কী হাত আছে, তা নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। তবে তারা যে এতদিনকার ‘সিস্টেম’কে জোর ধাক্কা দিয়েছে, তা স্পষ্ট। এবার তাই জেন জি-র মন বুঝতে আসরে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)।
বৃহস্পতিবার মুম্বইতে ছাত্রছাত্রীদের মুখোমুখি হয়ে মোহন ভাগবত বলেন, “জেন জি দের আন্দোলন দেশবিরোধী নয়। শিক্ষাব্যবস্থার পরিকাঠামো এমন হওয়া উচিত, যাতে কেউ বঞ্চিত না হন। শিক্ষার পরবর্তী প্রজন্মের অগ্রগতির জন্য। দেশের ভিত মজবুত করতে শিক্ষা জরুরি। সমাজের সঙ্গে শিক্ষার অগ্রগতি প্রয়োজন। সমাজ ব্যবস্থার উন্নতিতে জেন জি-র অবদান অপরিসীম। জেন জি-র ক্ষোভ যুক্তি সঙ্গত। ওদের সঙ্গে বিবাদ নয়, আলোচনা দরকার। উপেক্ষা না করে কথা বলতে হবে। উদ্বেগের কারণ আছে বলেই হয়তো আন্দোলন।”
উল্লেখ্য, পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট এবং ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচন। ঠিক তার আগে জেন জি-দের মন ছুঁতে মোহন ভাগবতের এই পদক্ষেপকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক এবং নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সে রাজ্যে ৩৫ কোটি জেন জি। প্রতি ৩ জনে ১ জন জেন জি। তাই ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটে বড় ফ্যাক্টর হতে পারে জেন জি।
একইসঙ্গে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষের পক্ষেও সওয়াল করেন সংঘ প্রধান। তাঁর বক্তব্য, সমাজ থেকে ওঁরা বিচ্যুত নয়, বরং তাঁরা সমাজেরই অঙ্গ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই সম্প্রদায়ের মানুষের পক্ষে সওয়াল করে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের স্পষ্ট বার্তা, ‘এলজিবিটিকিউ সমাজেরই একটা অংশ। সমকামীদের একসঙ্গে থাকার জন্য আইন হোক।’