• ‘আজকের পর কোনও ভুল হলে…’, তোলাবাজি রুখতে বিজেপি নেতৃত্বকেই হুঁশিয়ারি বনসলের
    প্রতিদিন | ০৭ আগস্ট ২০২৬
  • রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পরও গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলায়নি কিছু কিছু ক্ষেত্রে। বিগত শাসকদলের ‘রোগ’ ধীরে ধীরে দেখা যাচ্ছে বর্তমান শিবিরেও। তোলাবাজি, দুর্নীতির ‘সংক্রমণ’ ঘটছে বিপজ্জনকভাবে। তবে এ বিষয়ে গোড়া থেকে সচেতন বিজেপি। দলের মধ্যে তোলাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে এবার কড়া বার্তা দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলবিরোধী কাজে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বারবার বলেছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর বৃহস্পতিবার শমীকেরই সেই বার্তা আরও স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিতে বৃহষ্পতিবার সল্টলেক বিজেপি অফিসে দলীয় বৈঠক করলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসল। নেতৃত্বকে সতর্ক করে বলে দিলেন, তোলাবাজি, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে। যারা এসব করবে পার্টি তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেবে।

    নিচুতলার অর্থাৎ একেবারে বুথস্তর থেকে জেলা স্তর পর্যন্ত দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের একাধিক অভিযোগ আসছে। ইতিমধ্যে একাধিক সদস্য বহিষ্কার ও সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও রাশ টানা যাচ্ছে না। আর তাই এবার রাশ টানতে বিজেপি দপ্তরে এদিন থেকে জেলাওয়ারি জরুরি বৈঠক শুরু করেছেন সুনীল বনসাল। বৃহষ্পতিবার কলকাতা উত্তর শহরতলি ও বারাসত সাংগঠনিক জেলার বৈঠক হয়। সেখানে নেতৃত্বকে সতর্ক করে দিয়ে বনসল বলেন, ‘‘গলতি একবার হোতি হ্যায়, বারবার গলতি নেহি হোতি। আজকে বাদ কই গলতি হোগা অর কই গলত কাম করেগা, উসকে খিলাফ ব্যবস্থা লিয়া জায়েগা।”

    দলের নিচুতলার কর্মীদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে একাধিক নির্দেশ এদিন দিয়েছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা। বলে দেওয়া হয়েছে –

    এসব দেখার জন্য দলের বিধায়কদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটাও বলে দেওয়া হয়েছে, কোনও নীতি বিরুদ্ধ বা দলবিরোধী কাজে নজর রাখা হচ্ছে। এসব অভিযোগ এলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে স্থানীয় নেতৃত্বকে। কারণ, একাধিক জেলা পদাধিকারীর বিরুদ্ধেও নীতি বিরোধী কাজের অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে এদিন তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, দলবিরোধী কাজ করলে আগামী দিনে শাস্তির হাত থেকে কেউ বাঁচবে না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)