বারাসতে বিধায়কের উদ্যোগে রাস্তায় নামবে সাফাইয়ের আধুনিক গাড়ি, বরাদ্দ ১৫ কোটি
বর্তমান | ০৭ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: জঞ্জাল-জ্বালায় দীর্ঘদিন নাজেহাল বারাসত। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে মিলেছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। সেই টাকায় ২৫টি অত্যাধুনিক হাইড্রোলিক বর্জ্যবাহী গাড়ি কিনতে চলেছে বারাসত পুরসভা। শহরের আবর্জনা সংগ্রহ ব্যবস্থায় এটাই হতে চলেছে গত কয়েক বছরের সবচেয়ে বড় পরিকাঠামোগত সংযোজন।
বারাসত শহর যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে প্রতিদিনের বর্জ্য। সেই বোঝা টানতে এতদিন ভরসা ছিল মাত্র ১০টি বর্জ্যবাহী গাড়ি। ফলে ৩৫টি ওয়ার্ডের সর্বত্র সময়মতো পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছিল না। রাস্তার ধারে উপচে পড়ছিল ডাস্টবিন। কোথাও দিনের পর দিন জমে থাকছিল জঞ্জাল। শহরবাসীর ক্ষোভও বাড়ছিল পাল্লা দিয়ে। এই আবহে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের দ্বারস্থ হন বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। শহরের বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন তিনি। অতিরিক্ত গাড়িরও দাবি জানান। সেই উদ্যোগের ফলেই ১৫ কোটি টাকার বরাদ্দ মিলেছে। চলতি মাসেই ২৫টি অত্যাধুনিক হাইড্রোলিক বর্জ্যবাহী গাড়ি কেনা হবে।
জানা গিয়েছে, প্রযুক্তিতেও এগিয়ে থাকবে নতুন গাড়িগুলি। হাইড্রোলিক ব্যবস্থার সাহায্যে কম সময়ে বেশি পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ ও বহন করা যাবে। বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় বলেন, বারাসতকে মডেল টাউন তৈরি আমার মূল লক্ষ্য। তাই শহরবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা মাথায় রেখে দপ্তরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। তাই ১৫ কোটি টাকার অনুমোদন মিলেছে ২৫টি গাড়ি কেনার জন্য। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগৃহীত আবর্জনা আপাতত বারাকপুর রোড সংলগ্ন অস্থায়ী ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলা হবে। এদিকে বিজেপি নেতা দীপ্ত লস্করের বক্তব্য, পুরসভায় আবর্জনা সংগ্রহের জন্য ১০টি গাড়ি ছিল। কিন্তু তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সমস্যা বাড়ছিল। মানুষ বিধায়ককে অভিযোগও জানান। ২৫টি গাড়ি কেনা হলে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে বরাদ্দ হবে। সবটাই সম্ভব হয়েছে বিধায়কের তৎপরতায়।