• FSSAI-এর নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ, হাই কোর্টের নির্দেশ সাময়িক স্বস্তি পেল ‘ডাবর’-এর পণ্য
    প্রতিদিন | ০৭ আগস্ট ২০২৬
  • ‘১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ’ বিতর্কে এবার দিল্লি হাই কোর্টে সাময়িক স্বস্তি পেল ‘ডাবর ইন্ডিয়া’। ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার’ (FSSAI) তরফ থেকে ডাবরের একাধিক পণ্যের উপর যে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল তাতে স্থগিতাদেশ দিল আদালত। শুক্রবার এই মামলায় আদালত জানিয়েছে, সংস্থার বক্তব্য না শুনে কীভাবে এই নির্দেশ দিল এফএসএসএআই?

    গত ৩ আগস্ট এফএসএসএআই ডাবরের একাধিক পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্দেশিকা প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়ে, প্রত্যেক পণ্যে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধতার যে দাবি করে সংস্থাটি, তা একেবারে বিভ্রান্তিকর। কারণ অধিকাংশ খাদ্যপণ্যে এই পরিমাণ বিশুদ্ধতা বজায় রাখা অসম্ভব। এফএসএসএআই আরও জানিয়, ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধতার গ্যারান্টি দেওয়া বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে ডাবর কর্তৃপক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তাতেও লাভ হয়নি। সেকারণেই ডাবরের মধু, অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার, ভার্জিন কোকোনাট অয়েল, তিল তেল, ঘি, নারকেল জল এবং নারকেল দুধ-এর মতো পণ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নির্দেশের বিরুদ্ধেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় সংস্থা।

    এই মামলার শুনানিতে আদালতের তরফে জানানো হয়, সংস্থাকে নিজের বক্তব্য জানানোর সুযোগ না দিয়ে এফএসএসএআই-এর তরফে এই নির্দেশ জারি করা উচিত হয়নি। দু’সপ্তাহ পর মামলাটিকে ফের শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এফএসএসএআই-সহ এই মামলায় অন্য পক্ষগুলিকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে। একইসঙ্গে বিচারপতি বলেন, ‘সংস্থাটি কয়েক দশক ধরে এই সব পণ্য বিক্রি করে আসছে। এখন হঠাৎ করে তা বন্ধ করে দেওয়া যায় না।’

    কিন্তু কেন এভাবে শাস্তির মুখে পড়েছিল জনপ্রিয় সংস্থা ডাবর? আসলে ২০১৮ সালের বিজ্ঞাপন ও দাবি-সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, কম্পাউন্ড ফুডের ক্ষেত্রে কোনও খাদ্যপণ্যকেই ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ বলে দাবি করা যায় না। তা সত্ত্বেও একাধিক পণ্যকে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ বলে এতদিন প্রচার চালিয়েছে ডাবর। সেকারণেই এবার শাস্তির মুখে পড়ে সংস্থাটি। তবে সংস্থার দাবি, ওই আইন অনুযায়ী কোনও খাদ্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তাঁর কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া এবং সেই জবাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। তা এক্ষেত্রে করা হয়নি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)