বিজেপি নেত্রীর সঙ্গে পরকীয়া মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের কংগ্রেস কর্মীর। বেআইনিভাবে তাঁরা বিয়ে করেছেন বলেও অভিযোগ। স্ত্রী প্রতিবাদ করায় মারধর করে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে বিচারের আবেদন কংগ্রেস কর্মীর স্ত্রীর।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরতপুরে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অনামিকা ঘোষ। কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের এজেন্ট হন উদ্দীপন দাস। সেই সময় তাঁদের পরিচয়। ক্রমে ঘনিষ্ঠতা। উদ্দীপনের স্ত্রী পূর্ণিমা দাসের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় থেকে বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁর স্বামী উদ্দীপন দাস। সেই সময় তিনি প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর পূর্ণিমাকে তাঁর বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পূর্ণিমার আরও দাবি, পরবর্তীতে বিজেপি নেত্রী অনামিকা ঘোষকে তাঁর স্বামী উদ্দীপন বেআইনিভাবে বিয়ে করেছেন।
এই ঘটনার পর নানা জায়গায় বিচারের দাবিতে সরব হলেও তাঁর কথা শোনা হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস কর্মীর স্ত্রী। তাই তিনি বাধ্য হয়েই সোশাল মিডিয়ায় বিষয়টি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতির কাছে বিচার চেয়ছেন। ভিডিওটিতে পূর্ণিমাকে বলতে শোনা যায়, “বিধানসভা নির্বাচনের সময় ওদের সম্পর্কের শুরু। প্রতিবাদ করলে আমার স্বামী মারধর করেন। দুই ছোট ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। সেখানেই আছি। হঠাৎ জানতে পারি ২৭ জুলাই ওরা বিয়ে করেন। সমস্ত জায়গায় বিচারের দাবিতে আবেদন করেও বিচার মেলেনি। শেষ আশা নিয়ে তাই সমাজমাধ্যমে এই ভিডিও পোস্ট।”