ধর্ষকদের এনকাউন্টারে মারায় তাঁর মত নেই। তিনি চান, বিচার আইনি পথেই হোক। বারুইপুরের ঘটনা নিয়ে এ কথা জানালেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকর।
গত মাসে বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের অভিযোগ উঠেছিল। পরে সেই ঘটনায় এক অভিযুক্ত প্রভাত মণ্ডল নিহত হয় পুলিশের গুলিতে। তা নিয়ে বিস্তর শোরগোল হয় রাজ্য-রাজনীতিতে। পুলিশের দাবি ছিল, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময়ে এক পুলিশ অফিসারের বন্দুক কেড়ে নিয়েছিল প্রভাত। শুধু তা-ই নয়, সে গুলিও চালিয়েছিল। তাই আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মৃত্যু হয় প্রভাতের। সেই ঘটনা নিয়ে নিজের মত জানালেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন।
হাওড়ায় জনশুনানি কর্মসূচিতে গিয়ে বারুইপুরের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজয়া বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়ানক এবং মর্মান্তিক। এমন ঘটনা কোনও মেয়ের সঙ্গেই হওয়া উচিত নয়। সেই সঙ্গে ন্যায়বিচার সব সময়ে সুনির্দিষ্ট আইনি পথেই হওয়া উচিত। এই ঘটনার ক্ষেত্রে কী হয়েছিল, সেটা আমার জানা নেই। তবে পুলিশ দায়িত্বশীল হয়েই কাজ করছে।’
শুক্রবার হাওড়া জেলাশাসকের দপ্তরে ‘পথের দাবি’ হলে জনশুনানি হয়। সেখানে মোট ২৪ জন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তার পরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিজয়া। আরজি করের ঘটনা নিয়েও তিনি বলেন, ‘ওই ঘটনা আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে নাড়িয়ে দিয়েছিল। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের যন্ত্রণা আমরা অনুভব করতে পারি। বিষয়টি নিয়ে কমিশন যথেষ্ট চিন্তিত। সেই ঘটনার পরে আমরা সবার আগে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এর পরে বাবা-মায়ের বক্তব্য সিবিআইয়ের কাছে তুলে ধরেছি।’