• গেস্ট হাউসে নাবালিকাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা ও নারীপাচার! গ্রেপ্তার সুজিত ‘ঘনিষ্ঠ’ ২
    প্রতিদিন | ০৮ আগস্ট ২০২৬
  • প্রাক্তন মন্ত্রীর ‘ঘনিষ্ঠতা’কে কাজে লাগিয়ে তোলাবাজি, জমি দখলের অভিযোগ। এছাড়া গেস্ট হাউসের আড়ালে নারীপাচার, নাবালিকাদের দিয়ে দেহব্য়বসার অভিযোগ। তার জেরে গ্রেপ্তার প্রাক্তন মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ সায়ন দে। এছাড়া আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই দু’জনকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ তদন্তকারী দল গ্রেপ্তার করেছে।

    ওই গেস্ট হাউসটি সল্টলেকের সুকান্তনগরে। সেখানে যে নানা অনৈতিক কাজকর্ম হয়, তা আগেই জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা। শুধু তাই নয়, স্থানীয় এক প্রোমোটরও তাঁর কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছিলেন। তৃণমূলের আমলে স্থানীয়রা বহুবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তারপরেও সুজিত বসু ‘ঘনিষ্ঠ’ হওয়ার কারণে পুলিশ কোনরকম ব্যবস্থা সেই সময় নেয়নি বলেই অভিযোগ। সরকার পরিবর্তন হতেই পুলিশের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশের। শুক্রবার ওই গেস্ট হাউসে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। বেশ কয়েকজন তরুণী এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁদের বয়ান নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরে গেস্ট হাউস খুলে অনৈতিক কাজের জন্য সুজিত বসু ‘ঘনিষ্ঠ’ সায়ন দে এবং অনির্বাণকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    বলে রাখা ভালো, সায়ন দে-কে একাধিকবার সুজিত বসুর সঙ্গে দেখা গিয়েছে। সোশাল মিডিয়া ঘাঁটলেও দু’জনের ছবি পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, ধৃত সায়নের বিয়ের অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রিত ছিলেন সুজিত বসু। সে কারণে এলাকায় তার বিশেষ দাপট ছিল বলেই খবর। বিজেপির বিধাননগর মণ্ডল ২ সহ সভাপতি শান্তনু সরকারের দাবি, সরকার যেকোনও রকম দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। তাই সায়ন-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করতেও রেয়াত করেনি পুলিশ। যদিও সায়নের দাবি, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সুজিত বসু বর্তমানে জেলবন্দি। তবে তৃণমূলের অন্য কোনও নেতার তরফে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)