• রামমন্দিরে দুর্নীতি হয়নি: অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট
    বর্তমান | ০৮ আগস্ট ২০২৬
  • অযোধ্যা: অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রণামি চুরি। পরের ঘটনাক্রমে গোটা দেশে সাড়া পড়ে যায়। সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তারি, ট্রাস্টের মাথা চম্পত রাই-অনিল মিশ্রদের ইস্তফা। তদন্ত যত এগিয়েছে, সর্ষের মধ্যেই ভূত বেরিয়েছে। এনিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। এরইমাঝে এক সরকারি সূত্র মারফত সামনে এল সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য। সেখানে জানানো হয়েছে, শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টে আর্থিক অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। অডিটে ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সম্পূর্ণ হিসাব মিলেছে। শুধুমাত্র হাতে হাতে নগদ টাকা বাছাইয়ের সময় প্রণামি নয়ছয় করা হয়েছে। যা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

    একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষক সংস্থা এম এস ভি শংকর আইয়ার অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে অডিটের সম্পূর্ণ কাজ করানো হয়েছে। এক্ষেত্রে ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকার হিসাব মিলে গিয়েছে। ট্রাস্টের তরফে মন্দির নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ও জমি অধিগ্রহণের জন্য ৪০০ কোটি টাকার হিসাবেও সমস্ত নিয়ম মানা হয়েছে। এতে কোনো নগদ টাকার লেনদেন করা হয়নি। তবে প্রণামি চুরির একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। মেশিনে টাকা গোনার আগে প্রণামির নগদ টাকা বাছাইয়ের সময় তা নয়ছয় করা হয়েছে। সিসি ক‌্যামেরার ফুটেজে সেই বিষয়টি ধরা পড়েছে। মোট ছয়জনকে চিহ্নিত করে তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের কেউই মন্দির প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এই ছয়জনকে বাইরে থেকে নিয়োগ করা হয়েছিল। নেপথ্যে ছিল সৈনিক সিকিওরিটি সার্ভিসেস নামে এক সংস্থা। জমি ক্রয় সংক্রান্ত অভিযোগ খণ্ডন করে ওই সরকারি সূত্রের দাবি, জমির জন্য পুরো টাকাটাই সরাসরি ‘ব্যাংক-টু-ব্যাংক’ ট্রান্সফার করা হয়েছে। মন্দিরের অনুদানেও কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। ভক্তদের আস্থা অটুট রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে গড় মাসিক হুন্ডি সংগ্রহ প্রায় ৫ কোটি টাকা।
  • Link to this news (বর্তমান)