বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন স্বামী। নিয়মিত এক তরুণীর সঙ্গে লুকিয়ে ভিডিয়োকলে কথাও বলতেন। সেই দৃশ্যই দেখে ফেলেছিলেন স্ত্রী। প্রতিবাদও করেন। ওই সময়েই রাগের মাথায় আছাড় মেরে ভেঙে ফেলেন স্বামীর মোবাইল ফোন। তাতেই রেগে গিয়ে স্ত্রীকে বাঁশের খুঁটিতে বেঁধে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল সেই স্বামীর বিরুদ্ধে।
মালদার মানিকচক থানার নুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাদারটোলা এলাকার ঘটনা। কয়েক দিন আগে ঘটা সেই ঘটনার পরে মালদা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছিল চুন্নি খাতুন নামে বছর কুড়ির ওই তরুণীকে। শনিবার তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় চুন্নির পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই জামাই সামিউল শেখ, দেওর আনিস শেখ, ননদ চামেলি বিবি এবং শাশুড়ি দিলনুর বিবির বিরুদ্ধে মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তেরা সকলেই পলাতক ঘটনার পর থেকে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, চুন্নির বাপের বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলার বাইরিয়া এলাকায়। বছরখানেক আগে মানিকচক থানার নুরপুর এলাকার পেশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সামিউলের সঙ্গে সম্বন্ধ করে বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের পরে প্রথম তিন মাস সব ঠিকঠাকই ছিল। অভিযোগ, তার পর থেকেই সামিউলের সঙ্গে এলাকার এক তরুণীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। চুন্নি তা জানতে পারার পর থেকেই অশান্তি শুরু হয় সংসারে। তার পরেই এই ঘটনা।