• ‘সতর্ক করছি, শুধরে যান’, রাস্তায় বালি-পাথর ফেলা নিয়ে হুঁশিয়ারি অগ্নিমিত্রার, হবে জরিমানাও!
    প্রতিদিন | ০৯ আগস্ট ২০২৬
  • সল্টলেকে বিজেপি কার্যালয়ে জনতার ‘মুখোমুখি’ পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুনলেন সমস্যার কথা। তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক নাগরিকদের কথা শোনেন তিনি। তা ‘নোটডাউন’ করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেখান থেকে বেরিয়ে রাস্তায় যেখানে-সেখানে বালি-ইট-পাথর ফেলে রাখা, রাতে বাস-প্রাইভেট গাড়ির বেআইনি পার্কিং, নিয়ে সরব হয়েছে। ‘রাস্তা আপনার নয়’, বেআইনি কাজ করলে মোটা অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। তোলাবাজি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।

    শনিবার সল্টলেকে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচি ছিল। আগে থেকেই তা এলাকার মানুষদের জানিয়ে দিয়ে হয়েছিল। সেই মোতাবেক কর্মসূচি চলে। সেখান থেকে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, “আমি আসব আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সমস্যার কথা শুনলাম। আগামী দিনেও আসব। কবে আসব তা ঠিক করিনি। তা জানিয়ে দেওয়া হবে।” তবে এই কর্মসূচি এখনও জেলার পুরসভাতে শুরু হয়নি। মন্ত্রী বলেন, “কর্পোরেশন এলাকাগুলির মানুষের সমস্যা শোনা হচ্ছে। বাকি পুরসভাগুলিতেও এই কর্মসূচি শুরু করা হবে। বরানগর পুরসভাতে এই কর্মসূচি শুরু হবে। বাকি পুরসভাগুলিতেও হবে।” অনেক পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়া নিয়ে বলেছেন, “তৃণমূলের অনেক কাউন্সিলর পালিয়ে গিয়েছে। পুরপ্রশাসক বসিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বর্ষার মরশুমে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখা হচ্ছে।”

    এ ছাড়াও একাধিক বিষয়ে মুখ খুলেছেন অগ্নিমিত্রা। রাস্তায় সেখানে-সেখানে বালি-পাথর ফেলে রাখা নিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে-সেখানে পাথর, বালি, সুড়কি ফেলে রাখা হচ্ছে। তা চলবে না। এটা আপনার রাস্তা নয়। বিল্ডার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কড়া পেলান্টি করব। শুধরে যান।” রাস্তায় বাস ও গাড়ির বেআইনি পার্কিং নিয়ে বলেন, “রাতে রাস্তায় বাস দাঁড়িয়ে থাকছে। বাস স্টপে যান বা পার্কিং কিনুন। অনেকের বাড়িতে পার্কিং থাকলেও রাস্তায় রাখছেন। এটা চলতে পারে না।” এ ছাড়াও দলের একাংশের তোলাবাজি নিয়ে মুখ খুলে জানিয়েছেন, “আমাদের রাজ্য সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রী কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। কোনও ভাবেই দুর্নীতি, তোলাবাজি, দাদাগিরি বরদাস্ত করা হবে না।”

    অগ্নিমিত্রা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জনতার সমস্যার কথা শুনতে ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচির সূচনা করেন। কর্পোরেশনগুলির অধীনে বসবাসকারী নাগরিকদের সমস্যার কথা শোনা হচ্ছে ফোনে। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন নাগরিকেরা। তবে এই কর্মসূচি এখন কিছু জায়গায় সীমিত। খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যের বাকি অংশে শুরু করা হবে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
  • Link to this news (প্রতিদিন)