• কলকাতা পুরসভার আসন বেড়ে ২০৯, নাম কোন ওয়ার্ডে, জানেন না অনেকেই! চিন্তায় রাজনৈতিক কর্মীরাও
    প্রতিদিন | ০৯ আগস্ট ২০২৬
  • সাধারণ মানুষ দূরের কথা, প্রাক্তন কাউন্সিলর বা বিধায়করাও অনেকে জানতে পারছেন না ডিলিমিটেশনের পর তিনি কলকাতার কোন ওয়ার্ডের ভোটার। কারণ, দু’দিন আগে প্রকাশিত ২০৯টি ওয়ার্ডের খসড়া তালিকায় শুধুমাত্র কিছু রাস্তার কথা উল্লেখ করা হলেও বুথ নম্বর বা ওয়ার্ডের মানচিত্র উল্লেখ করা নেই।

    ডিলিমিটেশন পর নবগঠিত ওয়ার্ডের সীমানা নিয়ে পুরসভার তরফে এমন ‘লুকোচুরি’ নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ বাম, তৃণমূল থেকে শুরু করে বিজেপির ওয়ার্ডের কর্মীরাও। কারণ কেউই বুঝতে পারছেন না, কে কোন ওয়ার্ডে পড়েছেন। আবার যাঁরা আগামী নভেম্বরের শেষে পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা আরও বেশি চিন্তায়।

    কারণ, ভোটার বিন্যাস কীভাবে, কোনদিকে কতটা পড়ল তা জানতে না পারলে কীভাবে এখনই জনসংযোগ করবেন তা নিয়ে দ্বিধায় রাজনৈতিক কর্মীরা। বস্তুত সেই কারণে অনেকেই শনিবার বেলায় নিকটবর্তী বরো অফিসে গিয়ে ওয়ার্ডের সীমানা বণ্টনের খসড়ার মানচিত্র দেখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

    কলকাতার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে এক লাফে বৃদ্ধি পেয়ে ২০৯ হওয়ায় গভীর চিন্তায় পড়েছেন পুরসভার ‘কেয়ারটেকার’। কারণ, এতদিন পুরসভার মাসিক অধিবেশনে একসঙ্গে ‘কাউন্সিল চেম্বার’-এ ১৪৪ জন কাউন্সিলর বসার জায়গা ছিল। এর সঙ্গে সামনের দিকে কিছু অফিসার বসতেন। কিন্তু ব্রিটিশ আমলে তৈরি কলকাতার পুরভবনটি হেরিটেজ বিল্ডিং ও হেরিটেজ ‘কাউন্সিলর চেম্বার’ হওয়ায় কীভাবে অধিবেশন কক্ষ পরিবর্তন করে ২০৯ জনের বসার ব্যবস্থা হবে তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে কেয়ারটেকারের। কারণ, নিয়ম মেনে হেরিটেজ জোন ‘কাউন্সিল চেম্বার’ ভাঙাচোরা করা সম্ভব নয়। তবে কিছু চেয়ার সরিয়ে পিছনের দিকে স্কুলের মতো যদি বেঞ্চ করে দেওয়া যায় তবে সে ক্ষেত্রে নতুন কিছু পুরপ্রতিনিধির বসার জায়গা হতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত ৬৫ জন কাউন্সিলরকে বসার জায়গা করে দেওয়া খুবই কঠিন বলে এদিন স্বীকার করেন মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার।
  • Link to this news (প্রতিদিন)