• মেদিনীপুর থেকে মুজফ্ফরপুর পর্যন্ত ‘শহিদ ক্ষুদিরাম বসু এক্সপ্রেস’ চালুর দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি
    এই সময় | ০৯ আগস্ট ২০২৬
  • ১১ অগস্ট শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস। সেই উপলক্ষে ক্ষুদিরামের নামে একটি নতুন ট্রেন চালানোর দাবি। এই দাবি জানিয়েছেন, ক্ষুদিরাম বসুর দিদি অপরূপা দেবীর নাতি সুব্রত রায় এবং মেদিনীপুরের অরিন্দম ভৌমিক। মেদিনীপুর থেকে মুজফ্ফরপুর পর্যন্ত ট্রেন চালানোর দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার মুজফ্ফরপুরের সার্কিট হাউসে কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী রাজ ভূষণ চৌধুরীকে এই মর্মে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    রেলমন্ত্রীকে দেওয়া সেই চিঠিতে মোট তিনটি দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, মেদিনীপুর থেকে মুজফ্ফরপুর পর্যন্ত ‘শহীদ ক্ষুদিরাম বসু এক্সপ্রেস’ ট্রেন চালাতে হবে। দ্বিতীয়ত, এই দুই শহরের মধ্যে অবিলম্বে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তৃতীয়ত, হাওড়া থেকে মুজফ্ফরপুরগামী যে কোনও একটি ট্রেনকে মেদিনীপুর হয়ে চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে। চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এই বিষয়ে মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক জুন মালিয়া এবং বর্তমান বিধায়ক শংকর গুছাইতের কাছেও আবেদন করা হয়েছিল।

    কথিত আছে, ফাঁসির আগে ক্ষুদিরাম বসুর একটি ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন মেদিনীপুরের মাটিতে শেষবারের মতো পা রাখতে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার তাঁর শেষ ইচ্ছা পূরণ করেনি। সেই কারণে গত কয়েক বছর ধরে মেদিনীপুরের মাটি মুজফ্ফরপুর, যেখানে ক্ষুদিরামের শেষকৃত্য হয়েছিল সেখানে দিয়ে আসেন অরিন্দম। সেখানে একটি চারাগাছও রোপণ করা হয়। চলতি বছরেও তার অন্যথা হবে না।

    কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মেদিনীপুর ও মুজফ্ফরপুর—এই দুই শহরের সঙ্গে ক্ষুদিরামের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। মেদিনীপুর তাঁর জন্মভূমি এবং মুজফ্ফরপুরে তিনি শহিদ হয়েছিলেন। ১৯০৮ সালে ক্ষুদিরাম মেদিনীপুর থেকে ট্রেনে কলকাতা আসেন। তার পরে সেখান থেকে ট্রেনে মুজফ্ফরপুর যান। তার পরে কেটে গিয়েছে প্রায় ১১৮ বছর। কিন্তু এখনও মেদিনীপুর থেকে মুজফ্ফরপুর যেতে হলে কলকাতাই ঘুরেই যেতে হয়।

    ১. প্রশ্ন: ক্ষুদিরাম বসুর নামে কী দাবি জানানো হয়েছে?

    উত্তর: মেদিনীপুর থেকে মুজফ্ফরপুর পর্যন্ত ‘শহীদ ক্ষুদিরাম বসু এক্সপ্রেস’ নামে একটি নতুন ট্রেন চালুর দাবি জানানো হয়েছে।

    ২. প্রশ্ন: কার কাছে এই দাবি জানানো হয়েছে?

    উত্তর: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে এই দাবি জানানো হয়েছে।

    ৩. প্রশ্ন: কারা এই দাবি জানিয়েছেন?

    উত্তর: ক্ষুদিরাম বসুর দিদি অপরূপা দেবীর নাতি সুব্রত রায় এবং মেদিনীপুরের অরিন্দম ভৌমিক এই দাবি জানিয়েছেন।

    ৪. প্রশ্ন: চিঠিতে মোট কতগুলি দাবি জানানো হয়েছে?

    উত্তর: চিঠিতে মোট তিনটি দাবি জানানো হয়েছে—নতুন ট্রেন চালু, দুই শহরের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং হাওড়া-মুজফ্ফরপুরগামী কোনও একটি ট্রেনকে মেদিনীপুর হয়ে চালানো।

  • Link to this news (এই সময়)