• ‘দল ভারী করার নামে ‘চোর-বাটপাড়’দের বিজেপিতে নয়’, কড়া বার্তা বিজেপি বিধায়কের
    প্রতিদিন | ০৯ আগস্ট ২০২৬
  • দল ভারী করার নামে ‘চোর-বাটপাড়’দের বিজেপিতে আনা যাবে না। ভোটের পর দলে যোগ দেওয়া একাংশকে নিশানা করে এমনই কড়া বার্তা দিলেন হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। একইসঙ্গে দলের সিদ্ধান্ত না মানা নেতা-কর্মীদেরও সতর্ক করেন তিনি।

    শনিবার বারাসতে বিধায়কদের সংবর্ধনার আয়োজন করে বিজেপির বারাসত সাংগঠনিক জেলা। ছিলেন বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি রাজীব পোদ্দার-সহ নেতৃত্ব। সেখানেই দেবদাস বলেন, “দল যাকে দায়িত্ব দেবে, সে কানা হোক, খোঁড়া হোক, অন্ধ হোক, সে যেই হোক”—তাঁকেই মানতে হবে। তাঁর অভিযোগ, নিজেদের জনভিত্তি না থাকায় কিছু নেতা দল ভারী করতে ‘চোর-বাটপাড়’দের নিয়ে আসছেন। এনিয়ে দেবদাসের হুঁশিয়ারি, “তাড়ান এই লোকগুলোকে, তাড়ান! এরাই দলকে সর্বস্বান্ত করছে, ভাঙন ধরাচ্ছে।” বিজেপি কর্মীদের মারধর, মানুষের উপর অত্যাচার, ক্লাব বা মন্দির দখলের অভিযোগ থাকা তৃণমূল কর্মীদেরও দলে জায়গা না দেওয়ার বার্তা দেন তিনি।

    দেবদাস বলেন, “৪ তারিখের পরে যে বিজেপি হয়েছে, গেরুয়া রং আর পতাকা নিয়ে, তাদের কোনও জায়গা নেই।” হাবড়াতেও এমন কাউকে জায়গা দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল ও সিপিএমকে নিশানা করে ৩৪ বছরের বাম ও ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের প্রসঙ্গ তোলেন দেবদাস। তাঁদের মায়াপুরে গিয়ে সংকীর্তন করে ‘শোধরানোর’ পরামর্শ দেন। মাথায় এখনও ‘দিদি’র ভূত থাকলে “জুতোপেটা করা হবে” বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    বলে রাখা প্রয়োজন, শনিবারই তোলাবাজি নিয়ে কড়া বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘‘রাজ্যবাসী জামা বদলের জন্য ভোট দেননি, জামার ভিতরের মানুষটার বদল চেয়েছেন। যেখানে বিচ্যুতি দেখা যাচ্ছে, সেখানে দলীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।” শুধু তাই নয়, নিচুতলায় তোলাবাজি রুখতে জেলার পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্বও দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কের হুঁশিয়ারি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)