• পাচারের বড় ছক বানচাল, দমদম বিমানবন্দরেই উদ্ধার কোটি টাকার দুর্লভ ‘সাপের মাথা’!
    প্রতিদিন | ০৯ আগস্ট ২০২৬
  • বড়সড় সাফল্য দমদম বিমানবন্দরে (Kolkata Airport)। থার্মোকলের বাক্সে পাচার হচ্ছিল দুর্লভ ‘সাপের মাথা’! কার্গো বিভাগ দিয়ে সেইসব বাক্স বিমানে পাঠানো হচ্ছিল। সেসময় সন্দেহ হয়। সেগুলিতে তল্লাশি চালাতেই হতচকিত হয়ে যান তারা। বাক্সের ভিতর প্যাকেটে প্যাকেটে সাজানো রয়েছে সেসব ‘সাপের মাথা’। সেগুলির দাম কোটি টাকা। ঘটনায় বিমানবন্দর চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    কিন্তু কী এই সাপের মাথা? জানা গিয়েছে, সেগুলি আসলে দুর্লভ মাছ, নাম চান্না বার্কা। দুর্লভ হওয়ার কারণে সেই মাছের দামও অনেক। বিদেশি এই মাছ স্নেক হেড ফিশ নামেও পরিচিত। সেগুলি দেশ-বিদেশে সুবিশাল অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখা হয়। দমদম বিমানবন্দর থেকে ওই মাছ মালয়েশিয়া পাঠানো হচ্ছিল। মোট ৫৫০টি মাছ বিদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে খবর। অভিযান চালিয়ে ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো ওইসব মাছ বাজেয়াপ্ত করল।

    গতকাল, শনিবার কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক কার্গো বিভাগ থেকে চারটি থার্মোকলের বাক্স নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। দমদম বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক কার্গো বিমানে ওইসব বাক্স মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছিল। অ্যাকোয়া এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটার হিন্দোল হালদার নামক এক ব্যক্তি ওই বুকিং করিয়েছিলেন। সেই খবর পেয়ে ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকরা বিমানবন্দরে পৌঁছে যান। ওইসব বাক্সে তল্লাশি চালাতেই থরে থরে প্যাকেটে মিলল ওই দুর্লভ মাছ। দ্রুত সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কত দাম ওইসব মাছের? প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ২৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা কিংবা তারও বেশি হতে পারে। আয়তন, গুণমান অনুসারে ওইসব মাছের দাম নির্ধারিত হয়। ২৫ সেন্টিমিটার আয়তনের এক একটি মাছের বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা। ১০ সেমি লম্বা মাছের দাম প্রায় ৩০ হাজারের ঘরে। ওই ব্যবসায়ীর খোঁজ করা হচ্ছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)