শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস। তার উপরে রয়েছে বায়ো-টয়লেটও। ফলে জার্নি টাইম যা-ই লাগুক, যাত্রীদের কোনও সমস্যা হবে না। স্বচ্ছন্দ্যেই নদিয়ার চাকদহ থেকে শিলিগুড়ি যেতে পারবেন যাত্রীরা। উত্তরবঙ্গগামী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বায়ো-টয়লেট বাস চালু হলো চলতি সপ্তাহে।
কলকাতা থেকে এবং কৃষ্ণনগর থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাস এতদিন ছিলই। কিন্তু চাকদহ থেকে উত্তরবঙ্গগামী অত্যাধুনিক বাস পরিষেবা এর আগে ছিল না। তাই রানাঘাট-চাকদহ-কল্যাণীর যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে চালু হলো চাকদহ থেকে শিলিগুড়িগামী এই বাস পরিষেবা।
পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার বিজেপির সরকার গঠিত হয়েছে। নতুন সরকার গত তিন মাসে যে সব দিকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে, তার মধ্যে নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য গণপরিবহণ পরিষেবা। বিশেষ করে বাস পরিষেবা। কলকাতায় তো বটেই, বিভিন্ন জেলায় সরকারি-বেসরকারি বাসের সংখ্যা এক লাফে অনেকটাই বেড়েছে।
চাকদহ চৌমাথা বাস স্ট্যান্ড থেকে সন্ধে সাড়ে ৭টায় এই বাস ছাড়বে। রানাঘাট, শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর বেথুয়াডহরি, বহরমপুর, ফরাক্কা, বাগডোগরা হয়ে শিলিগুড়ি জংশন পর্যন্ত যাবে এই বাস। ইতিমধ্যেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বুকিং করার অগ্রিম ব্যবস্থা করা হয়েছে। অ্যাপেও বাসের সিট বুক করার সুযোগ থাকছে। বায়ো টয়লেটের ব্যবস্থা আছে বাসে। সিটও খুবই আরামদায়ক। ফলে সারা রাতের জার্নি হলেও যাত্রীদের সফর আরামদায়কই হবে।
প্রশ্ন ১: চাকদহ থেকে শিলিগুড়ি এসি বাসটি কখন ছাড়বে?
উত্তর: বাসটি প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চাকদহ চৌমাথা বাস স্ট্যান্ড থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে ছাড়বে।
প্রশ্ন ২: বাসে কি বায়ো-টয়লেটের সুবিধা রয়েছে?
উত্তর: হ্যাঁ, সারা রাতের যাত্রা আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যকর করতে এই বাসে বায়ো-টয়লেটের সুব্যবস্থা রয়েছে।
প্রশ্ন ৩: এই বাসের টিকিট কী ভাবে বুক করবেন?
উত্তর: যাত্রীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন বাস বুকিং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অগ্রিম টিকিট বুক করতে পারবেন।