ফের এনকাউন্টার যোগীরাজ্যে। বুন্দেলশহরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল মূল অভিযুক্তের। পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী মনু। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা। রবিবার সকালে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে কুখ্যাত এই অপরাধীর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সূত্রপাত গত ৩১ জুলাই। বুন্দেলশহরের কাকোড় থানা এলাকায় ১১ বছরের এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। পরদিন এক রেল স্টেশনের কাছে জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় চতুর্থ শ্রেণির নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে মনুর সন্ধান পায়। জানা যায়, চতুর্থ শ্রেণির ওই নাবালিকাকে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। ১ আগস্ট এই ঘটনায় কাকোর থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল মনু।
অভিযুক্ত মনুকে ধরতে কোমর বেঁধে নামে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। রবিবার ভোরে বুলন্দশহর-গুলাওথি রোডের ছাপরাওয়াত গ্রামে পুলিশের একটি দল রুটিন তল্লাশি চালাচ্ছিল। এই দলে ছিল স্থানীয় পুলিশ ও সোয়াট টিম (SWAT) সেই সময় নম্বরপ্লেট ছাড়া মোটরসাইকেলে দুই যুবককে আসতে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তাঁদের থামতে বললে, গাড়ি থামানোর পরিবর্তে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে অভিযুক্তরা। পালটা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে গুরুতর আহত হয় মনু। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বাইকে থাকা দ্বিতীয় যুবক অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ আরই জানিয়েছে, গুলির লড়াই চলাকালীন স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ (এসওজি)-এর সাব-ইন্সপেক্টর সন্দীপ কুমার এবং কনস্টেবল নরেন্দ্র কুমার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অন্য আরও দুই ইনস্পেক্টরের শরীরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট থাকায় গুলি লাগলেও রক্ষা পেয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ।