• কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যুর পরেই বাড়িতে গলায় ফাঁস স্বামীর, ভর্তি হাসপাতালে
    এই সময় | ১০ আগস্ট ২০২৬
  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা দাস শাসমলের মৃত্যুর পর তাঁর স্বামী মনোজিৎ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবার বাড়িতে তাঁকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। দ্রুত উদ্ধার করে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় তাঁকে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এর আগে শনিবার রাসায়নিক খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সীমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে।

    শনিবার বিকেলে চণ্ডীপুর থানার পায়রাচালি গ্রামের বাসিন্দা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা দাস শাসমল রাসায়নিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁকে প্রথমে চণ্ডীপুর চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং পরে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। শনিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

    রবিবার সীমার মৃত্যুর পর তাঁর স্বামী মনোজিৎ বাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ ঘর থেকে বের না হওয়ায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়।

    নার্সিংহোমে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

    চণ্ডীপুর থানায় দুই পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে তমলুকে তাঁর মৃত্যু হওয়ায় তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা দাস শাসমলের মৃত্যুর পরে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন তাঁর স্বামী মনোজিৎ। রবিবার বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। পড়শিদের নজরে পড়তেই তাঁকে উদ্ধার করে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন। শনিবার গভীর রাতে মারা গিয়েছিলেন সীমা।

    গত শনিবার বিকেলে চণ্ডীপুর থানার পায়রাচালি গ্রামের বাসিন্দা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সীমা দাস শাসমল রাসায়নিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরিবারের লোক তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে চণ্ডীপুর চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যান। তারপরে সেখান থেকে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। শনিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। সীমার মৃতুর পরে রবিবার তমলুক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। ময়না তদন্তের জন্য বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়।

    সূত্রের খবর, তখন সীমার স্বামী বাড়ি আসেন। একটি ঘরে ঢুকে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ ঘর থেকে বের না হওয়ায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। সূত্রের খবর, তাঁরা গিয়ে দরজা খুলে দেখেন মনোজিৎ গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    সীমার মৃত্যুর ঘটনায় দুই পরিবারের পক্ষ থেকে চণ্ডীপুর থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে চণ্ডীপুর থানা থেকে জানা গিয়েছে, তমলুকে মৃত্যু হওয়ায় তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। কী ভাবে মারা গেলেন সীমা দাস শাসমল? নেপথ্যে কী কারণ? ইন্টারনেট জগতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত মুখ সীমার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়া বহু অনুরাগী প্রশ্ন করছেন।

    FAQ

    সীমা দাস শাসমল ইন্টারনেট জগতে পরিচিত একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ছিলেন।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাসায়নিক খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। পরে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

    রবিবার তাঁর স্বামী মনোজিৎ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    তমলুকের একটি নার্সিংহোমে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    চণ্ডীপুর থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে তমলুক থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।

    এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পুলিশি তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।

  • Link to this news (এই সময়)