জমি দুর্নীতি মামলায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সাময়িক স্বস্তি মিলেছিল। নতুন চারটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banrjee) আপ্তসহায়ক সুমিত রায় (Sumit Roy)। সোমবার সেই মামলায় দ্রুত শুনানি চেয়ে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন সুমিতের আইনজীবী। চলতি সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা।
ঠিক যেন ‘চোর-পুলিশের খেলা’ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। সুমিতের বিরুদ্ধে জারি হয়েছিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। তাঁর বাড়িতে গিয়েও নোটিস ধরিয়েছিল পুলিশ। বেশ কয়েকদিন পর গর্ত থেকে বেরিয়ে অবশেষে শনিবার সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক। রবিবারও পৌঁছে যান তিনি। তারপরও সোমবারেও তাঁর ডাক পড়ে সিআইডি দপ্তরে। দীর্ঘদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পরপর তিনদিন হাজিরার হ্যাট্রিক করে ফেললেন সুমিত রায়। তাহলে কি এবার গ্রেপ্তারিও আসন্ন? সেই আশঙ্কা করতেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালতে সুমিতের আইনজীবী জানিয়েছেন, ৭ আগস্ট সেই রক্ষাকবচের মামলার শুনানি হয়নি। তা যাতে দ্রুত হয়, সেই নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। আইনজীবীর সওয়াল, “আমার মক্কেল তদন্তে টানা সহযোগিতা করে চলেছেন। এই অবস্থায় নতুন মামলায় তাঁকে অন্তর্বতী রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।”
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন খোঁজ না মেলায় মেদিনীপুরের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত সুমিতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তার পরেই আইনজীবীর মাধ্যমে আগাম জামিন চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুমিত (Sumit Roy)। হাই কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে দেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সুমিত। সেখানে সাময়িক স্বস্তি মিললেও গ্রেপ্তারির খাঁড়া যে তাঁর মাথায় ঝুলছে, তা টের পেয়েই হয়তো রক্ষাকবচ পেতে মরিয়া অভিষেকের পিএ।