প্রশাসনিক কাজে উন্নতিই লক্ষ্য, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার আরএসএস দপ্তরে শুভেন্দু
প্রতিদিন | ১১ আগস্ট ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার তিনমাস পর কলকাতায় আরএসএসের সদর দপ্তরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার রাতের দিকে মাণিকতলার কেশব ভবনে শুভেন্দু ও বিজেপি শীর্ষ নেতাদের বৈঠক নিয়ে তুঙ্গে চর্চা। সূত্রের খবর, প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও ভালোভাবে পরিচালিত করার লক্ষ্যে সংঘ নেতাদের পরামর্শ নিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দলের নীতি নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল নানা মহলে। তবে যেহেতু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি সাংগঠনিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন না, তাই এনিয়ে কথাবার্তা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের গোড়াপত্তন বহু আগে থেকেই। এতদিন ধরে জেলায় জেলায় তা বেশ সীমিত পরিসরে কাজ করছিল। বছর খানেক ধরে সেই পরিসর বেড়েছে। স্কুল বা ক্লাবের বাইরেও স্বয়ংসেবকরা নিঃশব্দে সংগঠন বিস্তারে কাজ করে চলেছেন। শুভেন্দু অধিকারী আরএসএসের সঙ্গে কমবেশি যুক্ত ছিলেন বরাবর। এখন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দায়িত্ব অনেক বেশি। এছাড়া রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর আরএসএসের কাজের পরিধি অনেকটা বেড়েছে। জেলাগুলিতে তার প্রভাবও পড়ছে। সামাজিক কাজের সঙ্গে বরাবর যুক্ত স্বয়ংসেবক সংঘ বাংলার মাটিতে শক্তি বাড়িয়ে তুলছে।
এই অবস্থায় আরএসএসের পরামর্শ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনিক কাজকর্ম চালাতে চান। সেই উদ্দেশেই রবিবার তিনি কেশব ভবনে গিয়েছেন বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার তিনমাস পর সংঘের সদর দপ্তরে গেলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা। আরএসএসের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে তাঁদের বেশ খানিকক্ষণ কথাবার্তা হয় বলে খবর। ঘনিষ্ঠ মহলে জল্পনা, সম্প্রতি দলের অন্দরে তোলাবাজি-সহ একাধিক দলবিরোধী কার্যকলাপের মতো যেসব অভিযোগ উঠছে, তা নিয়েও কথা হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে প্রশাসনিক বিষয়ে সংঘের পরামর্শ নেওয়াই প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।