পণের জন্য মৃত্যু নির্ধারণে স্বামীর যোগ বাধ্যতামূলক নয়: এলাহাবাদ হাইকোর্ট
বর্তমান | ১১ আগস্ট ২০২৬
লখনউ: কোনো বধূর মৃত্যু পণের কারণে হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সরাসরি যোগ থাকার প্রমাণ বাধ্যতামূলক নয়। এমনটা জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ জানিয়েছে, যদি বিয়ের সাত বছরের মধ্যে কোনো বধূর মৃত্যু হয় এবং যদি প্রমাণ মেলে যে তাঁকে পণের জন্য হেনস্তা করা হত—তাহলে সেটিকে পণজনিত মৃত্যুর মামলা হিসাবেই গণ্য করতে হবে। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে লখনউয়ের তালকোটরা এলাকায় এক বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তদন্তে জানা যায়, ওই মহিলাকে পণের জন্য অত্যাচার করা হত। নিম্ন আদালত ওই বধূর স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি আবদুল মইন ও বিচারপতি প্রমোদকুমার শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, মৃত্যুর সঙ্গে অভিযুক্তের সরাসরি যোগ বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ না থাকলেও তা ‘পণের জন্য মৃত্যু’র মতো অপরাধকে লঘু করে দেয় না। বধূর উপর অত্যাচার ও তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুই এক্ষেত্রে যথেষ্ট। তবে সন্দীপ সিং হোরা নামে ওই অভিযুক্তের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের জেল করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।