সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলার বাটায় বাম জমানায় পুরানো স্টেডিয়ামটি প্রেমোটারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তার বিকল্প হিসাবে অবশ্য একটি মাঠ পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু সেটি বর্তমানে কার্যত খেলার অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। ওই মাঠকে চারদিক দিয়ে ঘিরে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা হয়নি। স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হলেও তা অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। সেখানে এখন গোরু, ছাগল চড়ে বেড়ায়। বাটা- মহেশতলা জোনাল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁয়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এই স্টেডিয়াম সহ মাঠটি সংস্কারের দাবি করেছে। মন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি এই মাঠ সংস্কারের জন্য কী কী করা প্রয়োজন, সেই প্রস্তাব জমা পড়েছে মন্ত্রীর কাছে। এমনটাই দাবি করেছেন বাটা-মহেশতলা জোনাল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমজেএসএ) সভাপতি অসিত বাগ।
১৯৬২ সালে জাকার্তায় এশিয়ান গেমসে ফুটবলে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সোনা জিতেছিল ভারত। অসিত বাগ বলেন, সোনাজয়ী সেই ভারতীয় ফুটবল দলের প্রস্তুতি শিবিরের অনুশীলন হয়েছিল বাটার ওই পুরানো স্টেডিয়ামে। কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিমের হাত ধরে অধিনায়ক চুনী গোস্বামী, প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, জার্নাল সিংদের মতো দিকপাল খেলোয়াড়রা অনুশীলন করেছেন এই মাঠে। বাটা কারখানার বিশাল চৌহিদ্দির মধ্যে ছিল এই স্টেডিয়াম। এছাড়াও কলকাতার প্রথম ডিভিশনের অধিকাংশ বড়ো ফুটবল দল এক সময় এই মাঠে খেলেছে। সিপিএম ওই স্টেডিয়াম প্রোমোটারের হাতে তুলে দিয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর বিএমজেএসএ’র আন্দোলনের জেরে বিকল্প মাঠ পেলেও স্টেডিয়ামের কাজ অসম্পূর্ণই থেকে গিয়েছে। মন্ত্রীকে সে কথা বলা হয়েছে।