নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনায় সরাসরি মোদি-শাহকে টার্গেট করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তাঁর অভিযোগ, ‘পুরোটাই সরকারি মদতে হয়েছে। যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বাংলার তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপর হামলা হয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্রয় ছাড়া হতে পারে না। ওঁদের প্রশ্রয় শুভেন্দু অধিকারী কার্যকর করছেন। তিনি দিল্লির ক্রীতদাস!’ তৃণমূলের এই সাংসদ আরও বলেন, ‘ভোটের আগে বিজেপির প্রচার ছিল ভয় আউট, ভরসা ইন। কিন্তু আদতে বাংলায় হচ্ছে উলটো— ভয় ইন, ভরসা আউট। বিজেপি আর বিজেপির বি-টিম মিলে বাংলাটাকে শেষ করেছে। আমার বিশ্বাস, এই তিন মাসে এরা যা দেখিয়েছে, বাংলার মানুষ ক্ষমা করবে না।’
এদিন রাজ্যসভায় মমতার উপর হামলার ঘটনা নিয়ে সরব হন তৃণমূলের রাজ্যসভার মুখ্যসচেতক নাদিমুল হক। ব্যাংকিং সংক্রান্ত এক বিলের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিষয়টি উত্থাপনের চেষ্টা করেন। যদিও ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ তা বলতে দেননি। বলেন, ‘বিলের উপর বলুন, অন্য বিষয়ে নয়।’ এদিন সকালে সংসদ ভবনে মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘরে বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দিয়ে তৃণমূলের সাগরিকা ঘোষও দলনেত্রী উপর হামলার বিষয়টি জানিয়েছেন। বিরোধীরা এই ঘটনার নিন্দা করেছে।
অন্যদিকে, লোকসভায় এদিন মালা রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে মোদি সরকার লিখিতভাবে জানিয়েছে, গত তিন মাসে সোনা, রুপো, প্ল্যাটিনামের মতো মূল্যবান ধাতু আমদানির উপর চাপানো শুল্ক বাবদ ১০ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা উপার্জন করেছে কেন্দ্র। যদিও মালাদেবীর প্রশ্নের একটি অংশ, দেশে কত সোনা অব্যবহৃত
হয়ে রয়েছে, তার কোনো জবাব দিতে পারেননি অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মানুষের ঘরে কত সোনা রয়েছে, তার কোনো হিসেব সরকার রাখে না।