বেহাল রাস্তা, ভারী বৃষ্টিতে দুর্ভোগ গাড়ি-বাইক চালকদের! সমাধানে ১৮ কোটি বরাদ্দ রাজ্যের
প্রতিদিন | ১২ আগস্ট ২০২৬
দফায় দফায় হওয়া ভারী বৃষ্টি ও জমা জলের ধাক্কায় কলকাতা ও লাগোয়া শহরতলির বেহাল রাস্তার জেরে নাকাল যাত্রীরা। ভাঙা পিচরাস্তা ও রাস্তা খোঁড়ার পর মেরামত না হওয়ায় গাড়ির চাকা গর্তে পড়ায় দুর্ভোগের শিকার চালক এবং আরোহীরাও। দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন অটো ও মোটরবাইক চালকরাও। নিচু এলাকায় পিচ রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে জল জমার পাশাপাশি পানীয় জল ও নিকাশির জন্য রাস্তা খোঁড়া হলেও পুরসভার ঠিকাদাররা সংস্কার না করাতেই খানাখন্দ তৈরি হয়ে আছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার শীর্ষ ইঞ্জিনিয়াররা। তবে খুব দ্রুত বেহাল রাস্তাগুলির মেরামতি শুরু করতে ১৮ কোটি টাকা রাজ্য সরকারের তরফে বরাদ্দ হয়েছে বলে কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। পুলিশি রিপোর্ট নিয়ে বেহাল মূল রাস্তাগুলি পুজোর আগে মেরামত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন পুরকমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।
কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, দুপুর পর্যন্ত মধ্য কলকাতার একাধিক নিচু এলাকায় জল জমে থাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। স্ট্র্যান্ড রোড, ঠনঠনিয়া কালিবাড়ি, এমজি রোড, আমহার্স্ট স্ট্রিটে জল জমার কারণে দুপুর পর্যন্ত পথচারীরা দুর্ভোগে পড়েছিলেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমলেও গঙ্গায় জোয়ার আসায় ধীরে ধীরে জল নেমেছে। বেহালা, ঠাকুরপুকুর, যাদবপুর, বাগুইআটি, রাজারহাট থেকে শুরু করে বারাকপুর-মধ্যমগ্রাম, নিউবারাকপুর, বারুইপুর, সোনারপুরের বহু নিচু এলাকায় ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমে থাকলেও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ নাগরিকদের।
উল্লেখ্য, আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ফের ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হওয়ায় আগামী বৃহস্পতিবার নিম্নচাপ তৈরির সম্ভবনা রয়েছে উত্তর বঙ্গোপসাগরে। বস্তুত সেই কারণে আজ, বুধবার দুপুরের পর থেকেও ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতাতে। বজ্র বিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা রয়েছে শহর ও শহরতলিতে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। তাই পর পর দু’দিন বৃহস্পতি ও শুক্রবারে কয়েক দফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে কলকাতাতে।