আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণ-খুনের মতো ‘পাপ কাজ’ থেকে বিরত থাকার জন্য গীতা পড়তে হবে। আধ্যাত্মিক জাগরণ করতে হবে। গেরুয়া রঙের মাহাত্ম্য বোঝাতে হবে। গেরুয়া শুধু ধর্মীয় রং নয়, তা সংহতি ও কৃচ্ছ্রসাধনেরও রং। । বুধবার আদ্যাপীঠে গিয়ে এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হুঁশযুক্ত মানুষ হতে গেলে ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের দরকার রয়েছে। তা হলে পাপবোধ থাকবে। খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। আরজি করের মতো ঘটনা থেকে যদি কাউকে বিরত রাখতে হয়, তা হলে তাঁকে গীতা পড়াতে হবে। তাঁর আধ্যাত্মিক জাগরণ ঘটাতে হবে। তাঁকে গেরুয়া রঙের মাহাত্ম্য বোঝাতে হবে। গেরুয়া কোনও রাজনীতির রং নয়। এই রং শৌর্যের রং। ত্যাগের রং। এই রং কৃচ্ছ্রসাধনের রং। এই রং সংযমব্রতের রং।’
শুভেন্দুর মতে, পশ্চিমবঙ্গ শুধু সংস্কৃতির রাজধানী নয়, বরং তা আধ্যাত্মিকতারও রাজধানী। অনেক মনীষী এ রাজ্যে জন্মেছেন, যাঁরা আধ্যাত্মিক জাগরণ করে গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কপালে চন্দন চর্চিত করলেই হবে না। এই সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সুন্দর করে তোলার ব্যবস্থাও করতে হবে।’ আদ্যাপীঠের উন্নতিতে তিনি কিছু করবেন বলেও আশ্বাস দিেয়ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ‘মহারাজ আমাকে বলেছেন, এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুব কষ্টে চলছে। আমি যা করার করব। কথা কম বলা উচিত। কাজ বেশি করা উচিত।’