• আরামবাগে বকেয়া কর আদায়ে ময়দানে পুরসভার পৃথক ৪ টিম
    বর্তমান | ১৩ আগস্ট ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বকেয়া কর আদায়ে অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই মতো মঙ্গলবার থেকে চারটি পৃথক টিমে ভাগ হয়ে এলাকায় ঘুরলেন পুরসভার কর্মীরা। আরামবাগ পুরসভায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা কর বকেয়া রয়েছে। সেই টাকা দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী। তার জেরে পুরসভার নিজস্ব তহবিল কার্যত শূন্য হয়ে গিয়েছে। ফলে পড়ে থাকা কর আদায়ে শহরজুড়ে অভিযানে নামল পুরসভা। ওয়ার্ড ভিত্তিক টিম গঠন করে পুর কর্মীরা এদিন ঘোরেন। প্রত্যেক টিমে রয়েছেন পাঁচ থেকে ছ’জন করে কর্মী। 

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ শহরে বহু ফ্ল্যাট রয়েছে। সেগুলির হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। ফ্ল্যাটগুলিতে অনেকের হোল্ডিং নম্বরই পড়েনি। এছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক ভবন থেকেও প্রয়োজনীয় কর পায়নি পুরসভা। তার জেরে অর্থাভাবে ভুগছে পুরসভা। আরামবাগ পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর সেখানে প্রশাসক বসানো হয়েছে। তারপরেই বকেয়া কর আদায়ে বিধায়করা পুরসভার সঙ্গে বৈঠক করে অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিন আরামবাগ পুরসভার তরফে বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা টিম গঠন করে এলাকায় ঘোরেন। পুরসভার এক কর্মী বলেন, এদিন বিভিন্ন বাজারে ছোটো বড়ো দোকানেও ঘোরা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণ করা হয়েছে কি না, তার খোঁজ নেওয়া হয়। একইসঙ্গে বিভিন্ন ফ্ল্যাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, নার্সিংহোমেও যাওয়া হয়। যাঁদের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের নোটিস ধরানো হয়। সাতদিনের মধ্যে পুরসভায় প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে গিয়ে বকেয়া কর মেটানোর জন্য বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই নোটিস করার ফলে কেউ কেউ বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। আগামী দিনেও এমন অভিযান চলবে। 

    পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, বিগত তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের গাফিলতির জেরে পাঁচ কোটির বেশি টাকা বকেয়া রয়ে গিয়েছে। তার জেরে পুরসভার নিজস্ব তহবিল নেই বললেই চলে। স্বচ্ছ নাগরিক পরিষেবা পেতে হলে বাসিন্দাদেরও পুরসভাকে সাহায্য করতে হবে। আমরা সেই আহ্বান রাখছি।
  • Link to this news (বর্তমান)