• ঘুমের ওষুধের ইনজেকশন নিয়ে কেন শৌচালয়ে? NRS-এ নার্সের মৃত্যুতে বাড়ছে রহস্য
    আজ তক | ১৩ আগস্ট ২০২৬
  • নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রহস্যজনক ভাবে মৃত নার্সের শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। ফলে ঘনাচ্ছে রহস্য। জানা গিয়েছে, খুব সম্প্রতিই বিয়ে হয়েছিল ওই নার্সের। মৃতের স্বামী চাইছেন না তাঁর ময়নাতদন্ত হোক NRS-এ। 

    এদিকে, ঘটনার খবর পেয়েই NRS-এ যান রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি বাকি নার্স ও হাসপাতালের অন্যান্। কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। লালবাজারের উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের একটি দলও ঘটনাস্থলে সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল এবং DC (পূর্ব শহরতলি) সুবিমল পালের নেতৃত্বাধীন হোমিসাইড টিম এই ঘটনার তদন্তে নেমে পড়েছে। 

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুধবার রাতে কর্তব্যরত অবস্থাতেই মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা ওই নার্সের। আদতে তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ তিনি HDU-তে ডিউটিতে জয়েন করেছিলেন। নাইট ডিউটি ছিল তাঁর। রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ গাইনি বিভাগের শৌচালয়ে গিয়েছিলেন ওই নার্স। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কেটে যাওয়ার পর তিনি বের হচ্ছিলেন না। ১০টা ২৭ মিনিট থেকে তাঁকে ডাকাডাকি শুরু করেন সহকর্মীরা। সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত শৌচালয়ের দরজা ভাঙতে হয়। বাকি নার্সরা দেখেন মেঝেতে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছেন ওই তরুণী। 

    সঙ্গে সঙ্গে নার্সকে তুলে হাসপাতালের বেডে এনে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। মৃত্যু হয়েছিল ওই তরুণীর। তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। 

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শৌচালয়ে যাওযার সময়ে ওই নার্স ফেন্টানিলের ৩টি ভায়াল সঙ্গে করে নিয়ে যান। এই ওষুধ সাধারণত রোগীদেরক ঘুম পাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। ওই ওষুধ নার্সের কনুইয়ের জয়েন্টে ইনজেক্ট করা হয়েছিল। কেন এই ভায়াল তাঁর প্রয়োজন পড়ল, ইনজেক্টই বা কে করল শরীরে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও অধরা। 

     
  • Link to this news (আজ তক)