গ্রুপ ডি নিয়োগের সম্ভাবনা রাজ্যের স্টাফ সিলেকশন কমিশনের মাধ্যমে
বর্তমান | ১৪ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের অফিসে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্টাফ সিলেকশন কমিশনের (এসএসসি) মাধ্যমে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গ্রুপ সি কর্মী, বিশেষ করে ক্লার্কশিপ পরীক্ষার মাধ্যমে এলডিএ নিয়োগের দায়িত্বও এসএসসিকে দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছিল। তবে সরকারি সূত্রের খবর, গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) আগ্রহী। পিএসসির চেয়ারম্যান অনিল ভার্মা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া তাঁরা এখন চালাচ্ছেন। নিয়োগ হবে ১২ হাজার। আগামী দিনে বিভিন্ন পদে আরও ৮ হাজারের বেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এসএসসি সূত্রের খবর, কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে তাদের পরিকল্পনা নবান্নকে জানাবে এসএসসি। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নবান্নই তা ঘোষণা করবে। পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের উপর বিশেষ জোর দিয়েছে এসএসসি। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে দুই পর্যায়ে। প্রাথমিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা প্রার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে। গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কোনোরকম মৌখিক পরীক্ষা বা ইন্টারভিউ নেওয়া হবে না। লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিটের কপি পরীক্ষার্থীরা নিয়ে যেতে পারবেন। তৃণমূল জমানায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য এসএসসি গঠন করা হয়। পিএসসি একটি স্বশাসিত সাংবিধানিক সংস্থা হলেও এসএসসি রাজ্য সরকারের কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের অধীন একটি সংস্থা। পূর্বতন জমানায় নিযুক্ত চেয়ারম্যান বিবেক সহায় এখনো দায়িত্বে বহাল আছেন। এসএসসির অফিস সল্টলেকের ময়ূখ ভবনে। পূর্বতন জমানায় আরও একটি পৃথক রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠন করা হয়েছিল শুধু গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের জন্য। ওই বোর্ডের মাধ্যমে কয়েকবছর আগে সরকারি অফিসগুলিতে স্থায়ী পদে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগও করা হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া পরে থমকে যায়। ফলে চতুর্থ শ্রেণির প্রচুর এখন পদ খালি।