৪৩ কোটিতে পুজোর আগে রাস্তা সারাই বারাসতে, উদ্যোগী বিধায়ক
বর্তমান | ১৪ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দুর্গাপুজোর আগে বারাসতে রাস্তা মেরামতির তৎপরতা শুরু হল। শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডে কোথায় রাস্তা বেহাল, কোথায় কাজ থমকে, কোথায় নতুন করে রাস্তা প্রয়োজন– এসবের তালিকা তৈরি করে এগচ্ছে পুরসভা। এই উদ্যোগের সামনে রয়েছেন বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। এলাকায় ঘুরে ঘুরে রাস্তার হাল দেখছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন, বানাচ্ছেন বেহাল রাস্তার তালিকাও। তবে পুরনো রাস্তার কাজের জট এখনও বড় বাধা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান প্রকল্পে বারাসত পুর এলাকায় ১৬৯২টি রাস্তার অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ৭৫০টির কাজ শেষ হয়েছে। ৬৬৭টি রাস্তার কাজ এখনও শুরুই হয়নি। আর ২৭৫টি রাস্তার কাজ শুরু হয়েও অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অভিযোগ, কাজগুলির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারদের একাংশ কাজ শেষ না করেই উধাও। ফলে অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকা রাস্তার কাজ শেষ করতে গিয়ে পুরসভার একপ্রকার নাকাল অবস্থা।বারাসতের নবপল্লির বাসিন্দা সুমন সেনগুপ্তর কথায়, আমাদের নবপল্লি সার্কুলার রোড একেবারেই বেহাল। দ্রুত রাস্তা সারাই করা প্রয়োজন। এরই মধ্যেই নতুন রাস্তার জন্য বড়ো পরিকল্পনা নিয়েছেন বিধায়ক। তিনি পুরদপ্তরে এ নিয়ে দরবারও করেছেন। বারাসতের রাস্তা তৈরিতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪৩ কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে। জমা দেওয়া তালিকার মধ্যে প্রায় ৫০ কিলোমিটারের মতো রাস্তার অনুমোদন মিলেছে বুধবার। আরও রাস্তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাস্তার সমস্যা মেটাতে স্থানীস্তর থেকেও তথ্য সংগ্রহ করছেন বিধায়ক শংকরবাবু। সেগুলি দেখে অগ্রাধিকার ঠিক করা হচ্ছে। বিধায়ক বলেন, রাস্তার সমস্যা নিয়ে আমি নিজে এলাকা ঘুরে দেখছি। কোথায় কী প্রয়োজন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সেই তথ্য নিচ্ছি। যে কাজ আটকে, সেগুলি শেষ করার পাশাপাশি নতুন অনুমোদন পাওয়া রাস্তাগুলিতে কাজও দ্রুত শুরু করতে হবে। পুজোর আগে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।-নিজস্ব চিত্র