স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ‘শান্তিপূর্ণ বিপ্লবের’ ডাক দিলেন লাদাখের সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন চান তিনি। এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের তুলনায় ভারতের অগ্রগতি আশানুরূপ নয় বলেও মন্তব্য করেন সোনম।
নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গ ধসে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে রাতভর চলছে অভিযান। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। প্রশাসন, পুলিশ, এসডিআরএফ, এনডিআরএফ-সহ বিভিন্ন উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আটকে পড়া শ্রমিকদের কী ভাবে উদ্ধার করা হবে সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর নেন তিনি।
আন্দোলন দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে ঝাড়খণ্ড সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের কাছে আমার আবেদন, কোনও ভাবেই আন্দোলনের গতিপথ বদলাতে দেবেন না। পরিস্থিতি যেমনই হোক, আন্দোলন চালিয়ে যান। ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’
দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘দেশভাগের ফলে বহু জীবন এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। অনেকে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন। প্রিয়জনকে হারান।’ তবু তাঁরা শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁদের সাহসকে কুর্নিশও জানান।
জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বেতারে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।
উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে টানেল ধসে এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম ১৪ জন। টানেলের ভিতরে থাকা ২২ জন শ্রমিকের মধ্যে ২১ জনের হদিশ মিলেছে। এক জন শ্রমিক এখনও টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দপ্তর। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি শুক্রবার সকালে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করতে চলেছে। তার জেরে কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানেও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।