এই সময়, জলপাইগুড়ি: ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কোতয়ালি থানার পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে নিজেই ইস্তফা দিলেন ভাইস চেয়ারম্যান তথা ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দীনেশ রাউত। এদিন তিনি জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে ইস্তফাপত্র দেন। এদিকে আজ, বৃহস্পতিবারই অনাস্থা নোটিসের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ দিনের মধ্যে তলবিসভা ডাকার সময়সীমা শেষ হচ্ছে। কিন্তু চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ে এখনও পর্যন্ত শহরের বাইরে রয়েছেন বলে খবর। এদিকে ইস্তফা দিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান। নিয়ম অনুসারে চেয়ারম্যান তলবিসভা না ডাকলে ভাইস চেয়ারম্যান সভা ডাকার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার সাত দিনের মধ্যে সভা ডাকতে পারেন। কিন্তু তিনিও পদত্যাগ করলেন। এই অবস্থায় পুর আইন অনুসারে আনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা কালীঘাটপন্থী কাউন্সিলাররাই জলপাইগুড়ি পুরসভার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি।
গত মাসের ৩০ তারিখ সৈকতের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের চিঠি দিয়ে আসেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের ন’জন কাউন্সিলার। চেয়াম্যান সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, সন্দীপ মাহাতকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দীনেশ রাউতকে ভাইস চেয়ারম্যান ওই পদে বসানো হয়েছে। এই নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সদর মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নব্যেন্দু মৌলিক।
তিনি বলেন, ‘অনাস্থা আনার পরেই চেয়ারম্যান পরিকল্পনা করে নিজের আস্থাভাজন দীনেশকে ওই পদে বসিয়েছেন।’ এদিকে ইতিমধ্যে দীনেশ কালীঘাটপন্থীদের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। পদত্যাগ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কারণ আমি আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে চাই না।’