ঝোপের মধ্যে থেকে বৃদ্ধের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হলো। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম শান্তি মালিক (৬৫)। মৃতার মাথার খুলির বেশিরভাগটাই উধাও ছিল। শুক্রবার সকালে হাওড়ার সাঁকরাইলের বটতলার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কী ভাবে বৃদ্ধার মৃত্যু হলো, মাথার খুলির অংশই বা কোথায় গেল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বটতলার বাগানে একটি খাটাল ছিল শান্তির। সেখানেই থাকতেন তিনি। পাশেই মেয়ে-জামাইয়ের বাড়ি। প্রতিদিন রাতে মেয়ের কাছে খাওয়াদাওয়া করে তিনি ফের খাটালে ফিরে যেতেন। সেখানেই একাই রাত কাটাতেন।
পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে মেয়ের বাড়িতে খেতে যাননি শান্তি। শুক্রবার সকালে খাটালের কাছের ঝোপ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম রক্তাক্ত দেহটি দেখতে পান। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে মৃতার আত্মীয়েরা। খবর পেয়ে সাঁকরাইল থানার পুলিশও সেখানে পৌঁছয়।
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হলো, মাথার খুলির অংশ কোথায় গেল, ঘটনার পিছনে কোনও দুষ্কৃতীর হাত রয়েছে কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রশ্ন: কোথা থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার হয়েছে?
উত্তর: হাওড়ার সাঁকরাইলের বটতলায় একটি খাটালের কাছের ঝোপ থেকে শান্তি মালিকের দেহ উদ্ধার হয়েছে।
প্রশ্ন: মৃতার নাম কী?
উত্তর: মৃতার নাম শান্তি মালিক। তাঁর বয়স ৬৫ বছর।
প্রশ্ন: শান্তি কোথায় থাকতেন?
উত্তর: বটতলার একটি বাগানে তাঁর খাটাল ছিল। সেখানেই তিনি একাই থাকতেন।
প্রশ্ন: পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল?
উত্তর: হ্যাঁ। তাঁর মেয়ে ও জামাইয়ের বাড়ি খাটালের পাশেই। সাধারণত রাতে মেয়ের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করে নিজের খাটালে ফিরে যেতেন শান্তি।
প্রশ্ন: কখন তাঁর দেহ উদ্ধার হয়?
উত্তর: শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা খাটালের কাছের ঝোপে তাঁর রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।
প্রশ্ন: মাথার কী হয়েছিল?
উত্তর: পুলিশ জানিয়েছে, শান্তির মাথার খুলির বেশিরভাগ অংশ উধাও ছিল। সেটি কী ভাবে এবং কোথায় গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রশ্ন: বৃহস্পতিবার রাতে কী হয়েছিল?
উত্তর: পরিবারের দাবি, অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতে শান্তি মেয়ের বাড়িতে খেতে যাননি। পরের দিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।
প্রশ্ন: পুলিশ কী তদন্ত করছে?
উত্তর: মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, মাথার খুলির অংশ উধাও হওয়ার কারণ এবং ঘটনায় কোনও দুষ্কৃতীর যোগ রয়েছে কি না—সব দিক খতিয়ে দেখছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হবে।