• সেবাই পরম ধর্ম, অসমের বন্যাদুর্গতদের পাশে যাদবপুরের শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম
    প্রতিদিন | ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • গত ছয় দশকের মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ বন্যার কবলে অসম। বিশেষ করে পূর্ব অসমের শিবসাগর জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। লাগাতার অতিভারী বর্ষণের জেরে প্রায় জলের তলায় রাজ্যের একাধিক এলাকা। যতদূর চোখ যাচ্ছে, শুধুই জল আর জল। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট সব জলের তলায়। প্লাবিত অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনও গৃহহীন। মৃতের সংখ্যা শতাধিক। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াল যাদবপুরের শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এবং অসমের শ্রীশ্রী ঠাকুরের সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলি। অসমের বন্যার্ত অন্তত ৫০০টি পরিবারের কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।

    অসমের অদ্য শিমুলগুড়ি গ্রামাঞ্চলে প্রায় ৫০০ বন্যা দুর্গত পরিবারের ওই এলাকার বন্যার্তদের ধুতি, গামছা, বিছানার চাদর দেওয়া হয়। মহিলাদের মেখলা-চাদর, শিশুদের প্যান্ট এবং চটি দেওয়া হয়। জলমগ্ন এলাকায় জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা প্রবল। মশারি, ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার, সাবান, বালতি ও মগও বিতরণ করা হয়। এছাড়া খাদ্য সংকট লাঘব করতে বিস্কুট, নুডলস দেওয়া হয়। পানীয় জলও দেওয়া হয়েছে। পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যও করা হয়েছে। বিপদের সময় যাদবপুরের শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম এবং অসমের শ্রীশ্রী ঠাকুরের সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলি পাশে দাঁড়ানোয় আশার আলো দেখছেন বন্যার্তরা।

    আপার আসাম আঞ্চলিক সমিতি ​সাধারণ সম্পাদক স্বর্ণকমল দেব বলেন, “আশ্রম বরাবর পীড়িত মানুষের পাশে। ঠিক সেভাবেই অসমের বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। আগামী দিনেও অসহায় মানুষরা সবসময় আমাদের পাশে পাবেন।”

    এর আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অসমের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে ১০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন শুভেন্দু। তিনি জানান, এই টাকা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া বি-টাউনের ভূমি পেডনেকর থেকে অনুপম খের অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। ক্রীড়াজগতেরও অনেকেই বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)