• ‘মৌলালি থেকে শিয়ালদহ, সজল উচিত শিক্ষা দিয়েছিল’, ‘দেশদ্রোহী’দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
    প্রতিদিন | ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • ভারত স্বাধীন। কিন্তু দেশ খণ্ড, খণ্ড। দেশভাগের সময় গণহত্যা দেখেছে বঙ্গ। ছেচল্লিশের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, নোয়াখালি গণহত্যা। সেই দিনে যাঁরা মদত দিয়েছিল, আজও তাঁরা অপারেশন সিঁদুরের বিরোধিতা করে। দেশে থেকে টুকরে টুকরে গ্যাংকে সমর্থন করে! বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে মৌলালি যুবকেন্দ্রের অনুষ্ঠানে সেই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “যাঁরা অপারেশন সিঁদুরকে সমর্থন করে মিছিল করে না। তারা কেন সেনাবাহিনী মাসুদ আজাহারের উপর বম্ব ফেলল তার বিরোধিতা করে মিছিল করে। মৌলালি থেকে শিয়ালদহের মাঝে সজল ঘোষ উচিত শিক্ষা দিয়েছিল। আমি মুখ্যমন্ত্রী সবটা বলতে পারব না।”

    শুক্রবার ‘বিভাজন বিভীষিকা’ স্মরণ দিবস পালন করল রাজ্য। ৮০ বছর আগের এই ১৪ আগস্ট রাতে ভারত স্বাধীন হয়েছিল বটে। তবে দেশের দু’টুকরো হয়। পরবর্তীকালে তা তিন টুকরো। জন্ম নেয় বাংলাদেশ। আপাতদৃষ্টিতে কয়েকটা দেশ গঠন হল। কিন্তু উদ্বাস্তু হলেন লাখ লাখ মানুষ। সঙ্গী গণহত্যা, দুর্ভিক্ষ, হাহাকার। সেই বিভাজন বিভীষিয়কা স্মরণ করা হল মৌলালির যুব কেন্দ্রে। শুক্রবার মৌলালি যুবকেন্দ্রের সেই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল দেশভাগ-দাঙ্গা-হিন্দুনিধন প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘জিন্নার নেতৃত্বে সেদিন ভারতকে বিভাজিত করার নামে ২ হিন্দু গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হবে না। সেদিন ক্ষমতার লোভে দেশভাগ হয়েছে। বিভীষিকাময় দেশভাগ। আমরা তো সবসময় পূর্ণাঙ্গ, অখণ্ড ভারত চাই।” তাঁর কথায়, “দু’টি হিন্দু গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। একটি একাত্তরে বাংলাদেশ, আরেকটি ছেচল্লিশের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, নোয়াখালি গণহত্যা। এসব ভুলব কী করে?”

    আজও দেশের অভ্যন্তরে দেশ বিরোধী চক্রান্ত চলে বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরে কেন মাসুদ আজাহারকে বংশকে নির্বংশ করা হল, সেই প্রশ্ন তোলা হয়। কেন পাকিস্তানকে জল দেওয়া বন্ধ করা হল। তা নিয়ে প্রশ্ন করে। অপারেশন সিঁদুরকে সমর্থন করে না। টুকরে টুকরে গ্যাংকে সমর্থন করে।” তিনি আরও বলেন, “কিছু দিন আগে কোনও একটা সুরাবর্দীর নামে রাস্তা ছিল ওটা গোপাল মুখার্জী সরণী করা হয়েছে। তা নিয়ে কত গবেষণা। যাঁরা অপারেশন সিঁদুরকে সমর্থন করে মিছিল করে না। কেন সেনাবাহিনী বম্ব ফেলল তার বিরোধিতা করে মিছিল করে। সজল ঘোষ উচিত শিক্ষা দিয়েছিল।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)