• হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি: খড়্গপুরের স্কুলে জাতীয় পতাকা বানালো খুদেরা
    এই সময় | ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়, খড়্গপুর: স্বাধীনতা দিবসের জন্য পতাকা তৈরি করলো খুদে পড়ুয়ারা। পাশে পেল শিক্ষকদের। কর্মশালায় এ ভাবেই স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব বোঝার পাশাপাশি পতাকা তৈরিও শিখে নিল পড়ুয়ারা। নতুন কিছু করতে পারায় বেজায় খুশি সবং চক্রের আশাপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

    স্বাধীনতা দিবস মানেই স্কুলে পতাকা তোলা হবে। তার আগে প্রভাতফেরি। সে জন্য পড়ুয়াদের হাতে পতাকা থাকা প্রয়োজন। এতদিন যা কিনতে হতো। স্কুলের শিক্ষকরা যেমন কিনতেন তেমনই পড়ুয়ারাও নিজ উদ্যোগে পতাকা কিনে নিয়ে স্কুলে হাজির হতো। এ বার ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি চলছে দেশ-জুড়ে। এমন সময়ে যদি পড়ুয়াদের পতাকা তৈরি শেখানো যায়, কেমন হয়! এই ভাবনা থেকেই শিক্ষকদের উদ্যোগে আশাপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মশালা। স্কুলপড়ুয়া তথা শিক্ষার্থী পরিষদের প্রধানমন্ত্রী ইভা খাটুয়া, উপ প্রধানমন্ত্রী গৌরাঙ্গ পড়্যা, কৃষ্টি মন্ত্রী দীপান্বিতা সাঁতরা, শিক্ষামন্ত্রী অন্বেষা সাঁতরা-সহ স্কুলের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সমস্ত পড়ুয়া যোগ দেয় কর্মশালায়। শিশুশ্রেণির ছোটদের সাহায্য করল বড়রা। সবাই মিলে প্রাকৃতিক রঙে রাঙিয়ে তুলল নিজেদের জাতীয় পতাকা। যা দিয়ে স্কুল সাজানোর পাশাপাশি স্বাধীনতা দিবসে প্রভাতফেরি করবে তারা।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুপম বেরা বলেন, ‘এতে যেমন পড়ুয়াদের মধ্যে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে। তেমনই স্বাধীনতা দিবসের পরের দিন আমরা বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় পতাকার যে অবমাননা দেখি, তাও রোধ করা সম্ভব হবে। কারণ নিজেদের হাতে তৈরি পতাকা তারা কোনওভাবেই নষ্ট হতে দেবে না। বরং গুছিয়ে বাড়িতে রেখে দেবে।’ সহকারী শিক্ষক কমল খাটুয়ার কথায়, ‘দেশ আমাদের মা। সেই মাকে সম্মান করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। ছোটবেলা থেকে এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে পারলে তবেই নেতাজি, ক্ষুদিরাম, ভগৎ সিং–এর আদর্শে নতুন প্রজন্ম জারিত হবে।’ পতাকা তৈরির কারিগরদের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির সৌমদীপ রায়, শুভশ্রী বেরা বা তৃতীয় শ্রেণির অরিজিৎ মাঝি, চতুর্থ শ্রেণির হিমাদ্রি মাল বলে, ‘স্কুলে জাতীয় পতাকা তৈরি শিখে খুব আনন্দ পেয়েছি।’

  • Link to this news (এই সময়)