• আইআইটির ছাত্রমৃত্যুতে খুনের অভিযোগ পরিবারের, উঠছে একাধিক প্রশ্ন
    এই সময় | ১৫ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়, খড়্গপুর: আইআইটির মেধাবী ছাত্র অঙ্কিত শর্মার মৃত্যু দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, চার তলা থেকে অঙ্কিতকে কেউ ঠেলে ফেলে দিয়েছে। পুলিশের দাবি, এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি ঠেলে ফেলার ঘট‌না––তদন্তে তিনটি দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইআইটি কর্তৃপক্ষ সঠিক তথ্য জানতে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ নালন্দা কমপ্লেক্সে চার তলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র অঙ্কিত শর্মার। শুক্রবার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেদিনীপুর মেডিক্যালে পাঠানো হয়। যেখানে ছিলেন মৃতের কাকা ভ্রমরলাল শর্মা ও খুড়তুতো দাদা জয়প্রকাশ শর্মা। তাঁরা জানান, পুলিশ এবং আইআইটি কর্তৃপক্ষ কী ভাবে মৃত্যু হল তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দু’টি বিষয় জানান। একটি হলো, রেলিংয়ে বসে মোবাইলে কথা বলার সময়ে উল্টে পড়েন অঙ্কিত। অন্যটি, যেহেতু সেদিন বৃষ্টি হয়েছিল। তাই ব্যালকনি পিচ্ছিল থাকায় পা পিছলেও নীচে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন অঙ্কিত।

    ভ্রমরলালের কথায়, ‘কমপ্লেক্সের ব্যালকনিতে রেলিং থাকায় পিছলে পড়ার সম্ভাব‌না নেই। ৩টে থেকে ক্লাস শুরু হয়। ক্লাস চলার সময়ে কেন রেলিংয়ে বসে কথা বলতে যাবে অঙ্কিত? আমাদের ধারণা, হয়তো কারও সঙ্গে কোনও কারণে ঝগড়া হয়ে থাকতে পারে। সে ঠেলে ফেলে দিয়েছে। নতুবা ক্লাসের সময়ে এত পড়ুয়া, শিক্ষকরা কেউই খেয়াল করলেন না! আমরা আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করব।’ পরিবারের আরও প্রশ্ন, যেখানে ঘটনা ঘটেছে, সেখানে সিসিটিভি নেই কেন?

    ঘটনা ঘটে সাড়ে ৩টে নাগাদ। অথচ আড়াইটে নাগাদ অঙ্কিত বাড়িতে ফোন করে ৫ হাজার টাকা চেয়েছিল বলে দাবি ভ্রমরলালের। তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যার ঘটনা থাকলে টাকা চাইবে কেন? পা পিছলে পড়লে তো করিডরে পড়ে হাত, পা ভাঙত। রেলিং থেকে নীচে পড়ল কী ভাবে?’

  • Link to this news (এই সময়)