লালকেল্লায় মোদির মুখে ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’, ভারতের কলঙ্কময় অধ্যায় মনে করিয়ে কংগ্রেসকে তোপ প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিদিন | ১৫ আগস্ট ২০২৬
একসময় বিশ্বমঞ্চে ভারতের অর্থনীতি ছিল ‘ভঙ্গুর পাঁচ’-এর তালিকায়। আজ সেই ভারতই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তকমা পেয়েছে। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে দেশের অর্থনীতির বদলের এই ছবিই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি নিশানা করলেন কংগ্রেসকে। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ১২ বছরে ভারত বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
কিন্তু কী এই ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’? কেন ভারতকে এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল? ২০১৩ সালে গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্ক ‘মরগান স্ট্যানলি’ এই শব্দবন্ধটি প্রবর্তন করে। বাহ্যিক অর্থনৈতিক অভিঘাতের মুখে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত পাঁচটি দেশের অর্থনীতিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃিত হয়েছিল। এই তালিকায় ভারত ছাড়াও ছিল ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ইউপিএ আমলে ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ২০১৪ সালের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির পার্থক্য তুলে ধরতে মোদি এবং বিজেপি প্রায়ই এই প্রসঙ্গ তুলে ধরে। ২০১৪ সালের আগে ভারত মুদ্রাস্ফীতি, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতি, টাকার দামের পতন এবং বিদেশি পুঁজির উপর নির্ভরতার মতো সমস্যাগুলোর ভারে জর্জরিত ছিল।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]