• হাওড়া-শিয়ালদহতেও মিলছে না ন্যূনতম পরিষেবা! ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক স্টেশনের পানীয় জল নিয়ে উদ্বেগ
    প্রতিদিন | ১৬ আগস্ট ২০২৬
  • এবার রেলস্টেশনে যাত্রীদের জন্য পানীয় জলের মান নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সম্প্রতি ক্যাগ রিপোর্টে বলছে, একাধিক স্টেশনের কুলারের পানীয় জলে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যাকটেরিয়া পেটে গেলে মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে। গত ১২ আগস্ট সংসদে পেশ করা ক্যাগ এর ‘ভারতীয় রেলওয়ের নন-সাবার্বান রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা ও স্বচ্ছতা’ রিপোর্টে রেল পরিষেবার ছবি সামনে এসেছে। কেন্দ্রের রিপোর্টে, শুধু পানীয় জলই নয়, বহু স্টেশনেই শৌচাগার, বসার জায়গা, জলের কল সহ একাধিক ন্যূনতম পরিষেবার ঘাটতি দেখা গিয়েছে।

    ক্যাগ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ছ’টি জোনের ৫৯ টি স্টেশনে পানীয় জলের ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষা করা হয়েছিল। বেশ কয়েকটি স্টেশনের জলে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মিলেছে। রিপোর্ট বলছে, সাউদার্ন রেলের কোয়েম্বাটোর ও পালাক্কাড জংশন, সাউথ সেন্ট্রাল রেলের হায়দরাবাদ স্টেশন, সেন্ট্রাল রেলের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, ভিওয়ান্ডি রোড, কল্যাণ ও লোনাভালা স্টেশনের জলের কুলারের নমুনাতেও ই-কোলাই পাওয়া গিয়েছে।

    রেলের যাত্রী পরিষেবা খতিয়ে দেখতে দেশের বিভিন্ন জোনের ৫১২টি নন-সাবার্বান স্টেশন পরীক্ষা করে ক্যাগ। এর মধ্যে ৪৫৮টি স্টেশনে, অর্থাৎ ৮৯ শতাংশেরও বেশি স্টেশনে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পরিষেবার ঘাটতি পাওয়া গিয়েছে। দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রথম শ্রেণির স্টেশনেও রেল পরিষেবার ঘাটতি ধরা পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, হাওড়া, শিয়ালদহ, নয়া দিল্লি ও মুম্বই সেন্ট্রালের নাম। এই স্টেশনগুলিতেও পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা, শৌচাগার, ডাস্টবিনের মতো পরিষেবায় ঘাটতি পাওয়া গিয়েছে। ক্যাগের রিপোর্টে, ১২টি স্টেশনে পানীয় জলের কল, ৮ টি স্টেশনে পাখা এবং ৮ টি স্টেশনে ওয়াটার কুলারের ঘাটতি। পানীয় জলের মান নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। জল সরবরাহ ব্যবস্থার নিয়মিত পরিদর্শন, পানীয় জলের সমস্ত নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)