• স্বাধীনতা দিবসে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা! সোনিয়ার নিন্দায় শুভেন্দু, কংগ্রেস নেত্রীকে চিঠি বঙ্কিমের প্রপৌত্রের
    প্রতিদিন | ১৬ আগস্ট ২০২৬
  • স্বাধীনতা দিবসে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। যা ঘিরে বিতর্ক চরমে। সোনিয়ার নিন্দায় এবার সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। পাশাপাশি, নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    রবিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, “স্বাধীনতা দিবসে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বন্দে মাতরম গাওয়ার সময় কংগ্রেসের মালিক সোনিয়া পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে বিরক্তি, আপত্তি এবং বিরোধিতা করেন, তা গোটা দেশ দেখেছে। 
    কংগ্রেসের কোনও কোনও নেতা তাঁদের মালকিনকে বাঁচানোর জন্য অনেক চেষ্টা করলেও বাস্তবে যে ভিডিও দেখা গিয়েছে, তাতে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার কোনও সুযোগ কংগ্রেস নেতাদের কাছে নেই।” তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সঞ্জীবনী মন্ত্র ছিল বন্দে মাতরম। সাহিত্যসম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই অমূল্য সৃষ্টি গোটা দেশ গ্রহণ করেছে। এটি জাতীয়তাবাদের মন্ত্র। এটি সঞ্জীবনী মন্ত্র। এটি জাগরণের মন্ত্র। বন্দে মাতরমের অপমান মানে দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদ, জাতীয়তাবাদ এবং বঙ্কিমচন্দ্রের অপমান। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।” অন্যদিকে, নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক তথা বঙ্কিমচন্দ্রের প্রপৌত্র সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই সোনিয়াকে একটি চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সেই চিঠির প্রতিলিপিও দেখান শুভেন্দু।

    শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন সোনিয়া, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ হাত শিবিরের শীর্ষ নেতারা। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করছেন কয়েকজন তরুণী। সেই সময় সোনিয়া এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেন, যা দেখে মনে হচ্ছে তিনি কর্মীদের ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বন্ধের নির্দেশ দিচ্ছেন। এরপর রাহুলকেও একই ধরনের অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। সেই দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জাতীয় গানের প্রতি অসম্মানের অভিযোগে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। সেই ঘটনার এবার নিন্দা করলেন শুভেন্দু। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)