• ‘এবার বিনামূল্যে হাঁটু-হিপ প্রতিস্থাপনও’! আয়ুষ্মান ভারত, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমার উদ্বোধন শুভেন্দুর
    প্রতিদিন | ১৭ আগস্ট ২০২৬
  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গে চালু হল আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা (CM Health Insurance Scheme)। এদিন নেতাজি ইন্ডোরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দুই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। শুভেন্দু জানান, এতদিন স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় অনেক রোগের চিকিৎসা হত না। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার আওতায় হাঁটু ও হিপ প্রতিস্থাপনও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করতে পারবেন রোগীরা। এছাড়াও তিনি জানান, মোট ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। যাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না এমন ৮০ লক্ষ পরিবার পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার সুবিধা।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে রাজ্যের মোট ১৫০০টি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যেত। কিন্তু রবিবার চালু হওয়া দুটি প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা রাজ্যের ১২৪০টি বেসরকারি ও ৬২৭টি সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া যাবে। শুধু রাজ্যের হাসপাতালেই নয়, দেশব্যাপী ৩৮ হাজার ৬০৪টি হাসাপাতালে সুবিধা মিলবে। বিগত সরকারের আমলে একবছরের জন্য সিএমসি ভেলোরে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এই প্রকল্প মূলত রাজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার সুবিধা দেশের সর্বত্র পাওয়া যাবে।

    এদিনের অনুষ্ঠানে রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালিত বেসরকারি হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্যও বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এদিন জানান, বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ১৭০০টি রোগের চিকিৎসা দেওয়া হত। আয়ুষ্মান ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার আওতায় তা বাড়িয়ে ১৯৫০টি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাঁটু, হিপ প্রতিস্থাপনের সুবিধাও। রবিবার ১০০টি অমৃত ফার্মেসি ও ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনওষুধি চালুর এগ্রিমেন্টও হয়েছে।

    আজকের এই দিনকে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে বেছে নেওয়ার কারণও জানান শুভেন্দু। তিনি জানান, “আজ ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ডে’। ১০ হাজার হিন্দুকে খুন করা হয়েছিল। আগের সরকার এই দিন খেলা হবে দিবস পালন করতেন। আমরা আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে পালন করব।” তিনি আরও বলেন, “আসুন সবাই মিলে আয়ুষ্মান মন্দির তৈরি করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ভালো রাখি। কলকাতার ত্রাতা গোপাল মুখোপাধ্যায়কে অন্তর থেকে প্রণাম নিবেদন করে আয়ুষ্মান দিবসের সফলতা প্রার্থনা করলাম।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)